আগামী রমজানের ঈদের আগেই চলতি জুন মাসের বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়েছে কয়েকটি গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এছাড়া ২০ রমজানের মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ঈদ বোনাস দেয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে সমমনা গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠন সমূহের নেতারা এ দাবি তোলেন। এ সময় নেতারা গার্মেন্টস খাতটি দেখভালের দায়িত্বে থাকা সরকারের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর যথাযথ দায়িত্ব পালন করছে না বলেও শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন।
নেতারা বলেন, এবার ঈদুল ফিতর আগামী ৫ কিংবা ৬ জুলাই উদযাপিত হবে। শ্রমিকরা যেন জুন মাসের পূর্ণ বেতন ও ওভারটাইম পেতে পারে সেটি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারিতে রাখতে হবে। শ্রম বিধিমালায় শ্রমিকের উৎসব বোনাস এক মাসের মূল বেতনের সমান করার বিষয়টি পরিষ্কার করার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে শ্রমিক নেতারা বলেন, শ্রম বিধিমালা অনুযায়ী উৎসব বোনাস একটি বেসিকের সমান দিতে হবে। এ বিষয়ে কোন ধরণের টালবাহানা বরদাস্ত করা হবে না।
শ্রমিক নেতারা তৈরি পোশাক শিল্প খাতে চলমান বিভিন্ন ধরণের অনিয়মের বিষয়টিও সামনে আনেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে শ্রমিকদের কাজ করতে বাধ্য করা, অবৈধ চাকরিচ্যুতি, এক কিংবা দুই দিন অনুপস্থিতির অজুহাতে মজুরি প্রদানে দেরি করা, শ্রমিক সংগঠনের যোগ দিলে মিথ্যা অভিযোগে চাকরি হারানো ও মিথ্যা হামলা-মামলাসহ বেশকিছু বেআইনি কার্যকলাপের অভিযোগ আনা হয়।
মানববন্ধনে গণতান্ত্রিক গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের প্রধান আলমগীর রনির সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পোশাক শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তৌহিদুর রহমান, শ্রমিক নেতা মাহতাব উদ্দিন শহীদ, রোকেয়া সুলতানা অঞ্জু, বজলুর রহমান বাবলু, তাহমিনা রহমান, নাসরিন আক্তার, আব্দুল মালেক, শেফালি হোসেন প্রমুখ।
