চীন সবচেয়ে বড় নিপীড়ক: ট্রাম্প

আপডেট : ১২ জুন ২০১৬, ১৬:৪৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পদপ্রার্থী হতে চলা ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনকে সবচেয়ে বড় নিপীড়নকারী রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, চীন সবচেয়ে বড় এবং সেরা অত্যাচারী রাষ্ট্র ।
 
যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত নগরীতে উল্লসিত সমর্থকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, চীন সবচেয়ে বড় এবং সেরা নিপীড়নকারী। মেক্সিকো চীনের ক্ষুদে সংস্করণ মাত্র। 
 
ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত সহ বিভিন্ন পণ্য মজুত করছে, মেধা সম্পত্তি চুরি করছে এবং সেদেশে ব্যবসা করা মার্কিন সংস্থাগুলির উপর বিপুল কর চাপিয়ে দিচ্ছে। তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে চীনকে এর ফল ভুগতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। চীনের কড়া সমালোচনা করলেও, এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দেশটির সঙ্গে তিনি সম্পর্ক ভাল করবেন বলেই দাবি করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাতে কর্মসংস্থান হয় এবং দেশের উপকার হয় সেটা বিবেচনা করেই চীনের সঙ্গে চুক্তি করবেন।
 
আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইস্পাত নগরী পিটসবার্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের। সে কথা মাথায় রেখেই এই শহরের সব মানুষকে নভেম্বরে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্পের দাবি, ওবামার প্রতি চীনের কোনও শ্রদ্ধা নেই। হিলারির প্রতি তো আরও কম শ্রদ্ধা।
 
ওবামা দেশকে বিভক্ত করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান ‘অপদার্থ’। গোটা বিশ্ব হাসছে এবং এর সুযোগ নিচ্ছে। দেশের চাই উপযুক্ত নেতা। ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে দেশের ধনী-গরিবের ব্যবধান মুছে ফেলবেন। অন্য কোনও দেশ যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের কাছ থেকে চাকরি কেড়ে নিতে না পারে সে ব্যবস্থাও তিনি করবেন বলে দাবি করেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী।
 
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল করের বোঝার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, জার্মানি, সৌদি আরবকে ভর্তুকি দিতে হয় তাঁদের। দক্ষিণ কোরিয়ায় ২৮ হাজার মার্কিন সেনা আছে। সেনা ঘাঁটির জন্য এই দেশগুলিকে অর্থ দিতে হয়। এবার পাল্টা অর্থ নেওয়ার সময় এসেছে। ওই দেশগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ সাহায্য না করলে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলেই বার্তা ট্রাম্পের। এনডিটিভি।