বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে সাড়ে ৩৪ লাখ কর্মজীবী শিশু রয়েছে। যার মধ্যে ২৯ লাখ ৪৮ হাজার পূর্ণকালীন ও ৫ লাখ ২ হাজার খণ্ডকালীন কাজ করে।
এই কর্মজীবী শিশুদের দুই তৃতীয়াংশ বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। আগে বিদ্যালয়ে গেলেও এখন যায় না এমন শিশুর সংখ্যা ২১ লাখ। এই অবস্থায় শিশুশ্রম নিরসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৬ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা এগিয়ে নেয়ার পরামর্শ দেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিজ্ঞজনেরা।
রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনাসভায় এ দাবি করে বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম। সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের চেয়ারপারসন এবং শিশুশ্রম নিরসন প্রকল্প কনসোর্টিয়াম লিড মো. এমরানুল হক চৌধূরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের ডিরেক্টর আব্দুস সহিদ মাহমুদ।
মো. এমরানুল হক চৌধূরী বলেন, সরকার শিশুশ্রম বিষয়ক কয়েকটি আইন ও বিধিমালা করেছে। উল্লিখিত আইন ও বিধিমালা ছাড়াও বাংলাদেশে শিশুশ্রম বিষয়ে আরো অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিমালা বলবৎ রয়েছে। সব কিছুর আলোকে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনে কাজ করতে হবে।
আব্দুস সহিদ মাহমুদ বলেন,৭টি মন্ত্রণালয়ে শিশু বাজেট ঘোষিত হয়েছে। আমরা জানি ২৩টি মন্ত্রণালয় শিশুদের জীবনমান উন্নয়নের সাথে যুক্ত। তাই ১৬টি মন্ত্রণালয় বাদ পরছে বাজেটে বরাদ্দ থেকে। বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে।
