আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার আপিলের রায়ে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে বলেছে, রাজনীতিক দলগুলোর মধ্যে উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় না। দলগুলো এসব কর্মীদের ওপর অনেকটা নির্ভশীল। এরসব কর্মীদের পরিজহার করা না হলে সুস্থ রাজনীতি ও সংস্কৃতি বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে।
বুধবার আহসান উল্লাহ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের রায়ে হাইকোর্ট এই পর্যাবেক্ষণ দিয়েছে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের ডিভিশন বেঞ্চের ঘোষিত রায়ের এই পর্যবেক্ষণ দেয়া হয়।
রায়ে আদালত বলেছে, এই হত্যাকান্ড একটি জঘন্যতম ঘটনায়। এই হত্যাকান্ডের পেছনে যে রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন জড়িত এটি উপলব্ধি করা যায়।
আদালত বলেছে, একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। জননেতা থাকাকালে তিনি গাজীপুরে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি বেঁচে থাকলের জনগণের কল্যাণে আরো ভাল কাজ করতে পারতেন। কিন্তু তাকে সেই সুযোগ দেয়া হয়নি।
