ই-কমার্সকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত করমুক্ত রাখার প্রস্তাব

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৬, ১৭:২৫
ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করেছে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।
 
বুধবার রাজধানীর মতিঝিলের ফেডারেশন ভবনে 'ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাজেট ভাবনা' শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব করা হয়। বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) অধিভুক্ত সকল তথ্য প্রযুক্তি এসোসিয়েশন যৌথভাবে সভার আয়োজন করে।
 
বাংলাদেশ সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস এসোসিয়েশনের (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ। এতে অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআই জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, পরিচালক শাফকাত হায়দার, এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস্ অব বাংলাদেশের (এমটব) সভাপতি টি আই এম নুরুল কবীর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
 
সভায় ই-ক্যাবের সভাপতি রাজীব আহমেদ বলেন, '২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ই-কমার্স খাতের ওপর থেকে কর সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়েছে। যা প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে আইটি খাতের ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রাকে মারাত্বকভাবে বাঁধাগ্রস্ত করবে। একইসাথে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।' তাই আগামী ২০২৪ সাল পর্যন্ত ই-কমার্স খাত এবং অনলাইন শপিংকে সকল প্রকার করের আওতামুক্ত রাখার প্রস্তাব করেন তিনি।
 
এফবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বিকাশমান তথ্য প্রযুক্তি শিল্পের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে আরোপিত কর-ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানান। বেসিস সভাপতি শামীম আহসান সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ১০ শতাংশ অর্থ সফটওয়্যার ও আইটি সেবাখাতের উন্নয়নে বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেন।
 
অনুষ্ঠানে ইন্টারনেটের ওপর বর্তমান আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৪.৫% করার সুপারিশ করা হয়। একইসাথে তথ্য প্রযুক্তি খাত সরকারের অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে তৈরি পোশাক শিল্পের মত এই শিল্পের বাড়িভাড়ার ওপর থেকে ভ্যাট সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়।