রাজধানীসহ সারাদেশে আজ রবিবার এক ঘণ্টার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। বিএনপি-জামায়াত জোটের অব্যাহত গুপ্তহত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, জঙ্গিবাদী তৎপরতা এবং দেশের শান্তি, গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন বিরোধী অপতত্পরতা ও চক্রান্তের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগীয়, জেলা-উপজেলা সদরে একযোগে বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত মানববন্ধনে সর্বস্তরের লাখো মানুষের ঢল নামিয়ে মানবপ্রাচীর সৃষ্টি করার টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে।
মানববন্ধনের মাধ্যমে সারাদেশে গণজাগরণ সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে আদর্শিক এ জোটটির। সংগঠনগুলোর প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ নিয়ে মিছিলসহ রাজপথে দাঁড়াতে। কর্মসূচিতে পোস্টার, ফেস্টুন, ব্যানার ছাড়াও বাদ্য-বাজনা থাকবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম মানববন্ধনে যথাসময়ে ও যথাস্থানে ১৪ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শক্তি, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিক, পেশাজীবী, সংস্কৃতিসেবী, শ্রমিক, কৃষক, নারী, ছাত্র, যুবক, তরুণ সমাজসহ সর্বস্তরের জনগণ ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ব্যাপকভাবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
গতকাল এক বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, অতি সম্প্রতি বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রত্যক্ষ মদদে জঙ্গি-সন্ত্রাসী এবং রাষ্ট্র ও সমাজবিরোধী অশুভ শক্তিগুলো দেশব্যাপী গুপ্তহত্যা, সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপতত্পরতা চালাচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা, পাবনা, নাটোর, ঝিনাইদহ, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু সংখ্যক শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান এবং ইসলাম ধর্মাবলম্বী নিরীহ মানুষ, ধর্মীয় যাজক ও পুরোহিতকে কাপুরুষের ন্যায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, বাংলাদেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা, সর্বোপরি একটি নির্বাচিত বৈধ সরকারকে অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতাচ্যুত করার হীন ষড়যন্ত্রে বিএনপি-জামায়াত জোট ও তাদের ছত্রছায়া, পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। দেশবিরোধী এই চিহ্নিত গোষ্ঠী বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রয়াসকে বানচাল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে ধূলিসাত্, গণতন্ত্র, সামাজিক সুস্থিতি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধ্বংস করে সারাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।
ঢাকা মহানগরীতে এই মানববন্ধন কর্মসূচি গাবতলী, শ্যামলী, আসাদ গেট, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোড, রাসেল স্কয়ার, গ্রীন রোড, বসুন্ধরা, সোনারগাঁও হোটেল, শাহবাগ, মত্স্য ভবন, প্রেসক্লাব, পল্টন মোড়, নূর হোসেন স্কয়ার, বঙ্গবন্ধু
স্কয়ার, গুলিস্তান পার্ক, ইত্তেফাক মোড়, রাজধানী মার্কেট, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড় পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচীতে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি রাজধানীর প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন নেতা কর্মী-সমর্থকসহ বিভিন্ন শেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক জনতার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে ১৪ দল। মানববন্ধন সফল করতে গত চার দিন ধরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মোহাম্মদ নাসিম। রাজধানীর বিশাল এ এলাকাকে ১৭ ভাগে ভাগ করে কর্মসূচীর রুটও চূড়ান্ত করা হয়েছে। কোন্্ থানা বা ওয়ার্ডের নেতারা কোন্্ রুটে দাঁড়াবে তাও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এদিকে কর্মসূচীকে ঘিরে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এদিকে ১৪ দলের মানববন্ধন কর্মসূচিতে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা হাইকোর্টের সামনে অংশ নিবেন।
রাজধানীর ১৪ কিলোমিটারব্যাপী এই মানবপ্রাচীর কর্মসূচিতে ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা কোথায় কোথায় নেতৃত্ব দেবেন তাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল হয়ে শ্যামলী পর্যন্ত মিরপুর, শাহআলী, দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ, শরিক সংগঠনগুলো অংশ নিবে। এখানে নেতৃত্ব দিবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক পিএসসি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজবাউদ্দিন সিরাজ অ্যাডভোকেট, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, জাসদের শিরিন আকতার এমপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির শাহানা ফেরদৌসী লাকী, মুনতাসিম বিল্যাহ সানী, ন্যাপের জহিরুল হক, গণতন্ত্রী পার্টির জেড. এ ওয়াহেদ, আসলামুল হক আসলাম এমপি, আশরাফুন্নেছা মোশাররফ, এসএম হানিফ, অ্যাডভোকেট কাজী আজাদুল কবির, আগা খান মিন্টু, আবুল কাসেম মোল্লা, এবিএম মাজাহারুল আনাম, কাজী ফরিদুল হক হ্যাপী প্রমুখ।
শ্যামলী, কলেজ গেইট, আসাদ গেইট হয়ে ধানমণ্ডি ২৭ নম্বর সড়ক পর্যন্ত (মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরে বাংলা নগর থানা আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরিক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের এমপি, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী এমপি, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মো. আব্দুছ ছাত্তার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মির্জা আজম এমপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির আমিনুল ইসলাম গোলাপ, হাজেরা সুলতানা, মদিনা খানম, বেনজির আহমেদ, ন্যাপের রুনু আহম্মেদ, গণতন্ত্রী পার্টির খায়রুল, জাসদের মো. খালেদ এবং আওয়ামী লীগের রওশন জাহান সাথী, অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার, মতিউর রহমান মিয়া চাঁন, এম এ মান্নান, মো. সালাহউদ্দিন শামীম, সাব্বির হোসেন মাসুদ, আনোয়ার হোসেন মিন্টু প্রমুখ।
ধানমণ্ডি ২৭ নম্বর সড়ক থেকে রাসেল স্কয়ার পর্যন্ত (পল্লবী, রূপনগর থানা আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ — শরিক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সতীশ চন্দ্র রায়, ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এমপি, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা এমপি, ন্যাপের পরিতোষ দেবনাথ এবং অপু উকিল, সাধনা দাস গুপ্তা, এ এস এম সারোয়ার আলম, হাজী রজ্জব হোসেন, মো. সালাহউদ্দিন রবিন প্রমুখ। রাসেল স্কয়ার, গ্রীণ রোড স্কয়ার হয়ে বসুন্ধরা মার্কেট পর্যন্ত (ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, কলাবাগান থানা আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ — শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কোষাধ্যক্ষ এইচ. এন আশিকুর রহমান এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, আখতারউজ্জামান, আব্দুর রহমান এমপি, এস.এম কামাল হোসেন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাম্বাসেডর জমির, এ. এফ. এম ফখরুল ইসলাম মুন্সি, ঢাকা মহানগর (উত্তর) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি, ওয়ার্কার্স পার্টির কমরেড এনামুল হক এমরান, ন্যাপের নজরুল মজিদ বেলাল, গণতন্ত্রী পার্টির শরাফত আলী, বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ ও বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের নেতৃবৃন্দ, কামাল আহমেদ দুলাল, রফিকুল ইসলাম বাবলা, ইলিয়াসুর রহমান বাবুল, হাজী সাদেক হামিদ সাজু, মো. নাজমুল করিম টিংকু, মো. নজরুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।
বসুন্ধরা মার্কেট থেকে সোনারগাঁও হোটেল পর্যন্ত (কাফরুল, ক্যান্টনমেন্ট, ভাষানটেক, বনানী, গুলশান থানা আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক আ. হ. ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রফেসর ডা. আলাউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ডা. আব্দুল মান্নান এমপি, ওয়ার্কার্স পার্টির মোহাম্মদ তৌহিদ, ন্যাপের অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির কানন আরা এবং আওয়ামী লীগের কামাল মজুমদার এমপি, আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি, পিনু খান এমপি, জামাল মোস্তফা, ইঞ্জি. আবুল কাসেম, কাজী রফিকুল ইসলাম, হাজী মো. সামসুল হক খান, মো. গিয়াস উদ্দিন ইঞ্জিনিয়ার, মো. আমজাদ আলী দেওয়ান, একেএম জসিম উদ্দিন, মীর মোশাররফ হোসেন, হাজী মো. সুলতান হোসেন, মো. হেদায়েত উল্লাহ প্রমুখ।
সোনারগাঁও হোটেল মোড়, বাংলা মটর, রূপসী বাংলা হোটেল হয়ে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত (তেজগাঁও, শিল্পাঞ্চল, তুরাগ, বিমান বন্দর, উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মো. এম এ মান্নান এমপি, ন্যাপের রুহুল আমিন, গণতন্ত্রী পার্টির ডা. সিকদার, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের এস. এম পল্টন, বীরমুক্তিযোদ্ধা কুতুব উদ্দিন আহমেদ, মতিউল হক, আনোয়ার ইসলাম রবিন, সাঈদ সিদ্দিকী কাক্কা, শাহজাহান আলী মণ্ডল, মাকসুদুর রহমান মাসুম, আবুল হাসেম, এমডি হালিম, আব্দুর রশিদ, মো. শামীম হাসান, মো. শফিউল্লাহ, কাজী রেজাউল হক রেজা প্রমুখ।
শাহবাগ মোড় থেকে মত্স্য ভবন পর্যন্ত (রমনা, খিলক্ষেত, নিউ মার্কেট থানা আওয়ামী লীগ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক বীর বাহাদুর এমপি, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাবলু, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সিমিন হোসেন রিমি এমপি, আমিনুল ইসলাম আমিন, সুজিত রায় নন্দী, একেএম এনামুল হক শামীম, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মির্জা জলিল, স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদ ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে চিকিত্সক সমাজ, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের পলিট ব্যুরোর সদস্য কমরেড অধ্যাপক প্রদ্যুত কুমার ফণি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মাহমুদুল হাসান মানিক, মুর্শিদা আখতার ডেইজী, ন্যাপের নাসিমা হক, গণতন্ত্রী পার্টির কমল ঘোষ এবং এ্যাড. মোল্লা আবু কাওছার, মো. মোখলেছুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব মো. কেরামত আলী দেওয়ান, আসলাম উদ্দিন, মো. জসিম উদ্দিন, মো. হানিফ মিয়া, অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, একেএম মাসুদুজ্জামান মিঠু, মো. কামাল উদ্দিন, মো. জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।
মত্স্য ভবন থেকে প্রেসক্লাব হয়ে পল্টন মোড় পর্যন্ত (লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর থানা আওয়ামী লীগ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু এমপি, আবুল মাল আবদুল মুহিত এমপি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খান এমপি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপি, অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন মেহেদী, জাসদের মাঈনুদ্দিন খান বাদল এমপি, নাজমুল হক প্রধান এমপি, শরীফ নুরুল আম্বিয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাড. আকসির এম চৌধুরী, ফিরোজ আলম, অ্যাডভোকেট জুবাইদা পারভীন, জাকির হোসেন রাজু, নসিমুল হাসান দীপু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের আবু হামেদ সাহাবুদ্দিন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. অসীত বরণ রায়, কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, ন্যাপের ইসমাইল হোসেন, গণতন্ত্রী পার্টির শহীদুল ইসলাম বাবলু, হাজী দেলোয়ার হোসেন, মতিউর রহমান জামাল, মো. সিরাজুল ইসলাম রাঢ়ু, মো. ইউনুস সুমন, আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা, মো. সিরাজ উদ্দিন বাদল, প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, সাংবাদিক ও আইনজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
পল্টন মোড় থেকে নূর হোসেন স্কয়ার হয়ে গুলিস্তান মোড় পর্যন্ত (মতিঝিল, বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগ, ৫৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও পেশাজীবী সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি, মেজর জেনারেল (অব.) কে এম শফিউল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক বি. এম মোজাম্মল হক এমপি, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূর এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য র. আ. ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী এমপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির আমিরুল হক আমীন, কাজী আনোয়ারুল ইসলাম টিপু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের লুত্ফর রহমান, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কমরেড দীপংকর সাহা দিপু, ন্যাপের অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, গণতন্ত্রী পার্টির ডা. শাহাদাত্, মীর আক্তার হোসেন, বশির উদ্দিন বাবুল, সাব্বির হোসেন, ওসমান গণি, হাজী মো. জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল লতিফ, আব্দুল মুকিত হাওলাদার হূদয়, মো. এনামুল হক বাবুল, মোস্তফা জামান পপি প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু স্কয়ার (গুলিস্তান সিনেমা হল) থেকে পার্কের মধ্য দিয়ে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত (কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহে আলম মুরাদ, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, আনিসুর রহমান মল্লিক, কামরুল আহসান, কিশোর রায়, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড দিলীপ বড়ুয়া, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. ওয়াজিদুল ইসলাম খান, ন্যাপের আব্দুর রশিদ সরকার, গণতন্ত্রী পার্টির নূরুর রহমান সেলিম, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শ্রী পঙ্কজ দেবনাথ এমপি, হাজী ফজলুর রহমান পর্বত, আবু হোসেন জামাল উদ্দিন বাবলা প্রমুখ।
ইত্তেফাক মোড় থেকে রাজধানী মার্কেট পর্যন্ত (সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, মোস্তফা ফারুখ মোহাম্মদ, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. সিরাজুল ইসলাম, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের সালাহউদ্দিন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কমরেড আব্দুল খালেক, ন্যাপের পার্থ মজুমদার, গণতন্ত্রী পার্টির মাহমুদুর রহমান বাবু, সাম্যবাদী দলের হারুন চৌধুরী এবং আওয়ামী লীগের সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, এনাজুর রহমান, হাজী মো. সহিদ, গাজী আবু সাঈদ প্রমুখ।
রাজধানী মার্কেট থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত (খিলগাঁও, সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ. টি ইমাম, ড. মশিউর রহমান, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নূরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ এমপি, ন্যাপের অধ্যাপক মামুন, গণতন্ত্রী পার্টির শেখ আলাউদ্দিন, সাম্যবাদী দলের মোসাহিদ আহমেদ, মো. শরিফ আলী খান, মো. মাহবুবুল আলম, মো. আশরাফুজ্জামান ফরিদ, লায়ন চিত্তরঞ্জন দাস, আশিকুর রহমান লাভলু, হাজী আবুল হোসেন, মো. শহীদুল মিনু, মো. লিয়াকত জাহান শিপন, আলহাজ্ব মো. শামীম আল মামুন, মোশাররফ হোসেন বাহার প্রমুখ।
সায়েদাবাদ থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত (শ্যামপুর ও ডেমরা থানা আওয়ামী লীগ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহ-শরীক সংগঠনগুলো) এলাকায় নেতৃত্বে থাকবেন আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য নসরুল হামিদ বিপু এমপি, নূরুল মজিদ হুমায়ূন এমপি, হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি, সানজিদা খানম এমপি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির তপন দত্ত, ন্যাপের তাজুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির রফিক উদ্দিন, জাসদের শহীদুল ইসলাম এবং শামসুন্নাহার ভুঁইয়া, মো. তোফাজ্জল হোসেন, কাজী হাবিবুর রহমান হাবু, কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, হারুন অর রশিদ মুন্না, রফিকুল ইসলাম খান মাসুদ, মশিউর রহমান মোল্লা সজল, মো. নাসিম মিয়া, মো. মোবারক হোসেন প্রমুখ।
এদিকে মানববন্ধন কর্মসূচি সফল করতে গতকাল বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সমন্বয় কমিটির সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দিপু মনি বলেন, সারাদেশের জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধের সময় এখনই।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, গুপ্তহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থ জোগানদাতা বিএনপি-জামায়াত।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিপু মনি, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, জাসদের সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার, ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য হাজেরা সুলতানা প্রমুখ।
