ঈদে ৬ দিন বন্ধ থাকবে পণ্যবাহী যানের ফেরি পারাপার

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৬, ২১:১৮
ঈদের পূর্বে এবং ঈদের পরে মোট ৬ দিন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ রাখা হবে। রাতের বেলায় সকল প্রকার মালবাহী জাহাজ, বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে। মাওয়া ও পাটুরিয়াঘাটে অধিক যাত্রী হলে প্রয়োজনে ফেরি দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হবে। সূর্যাস্তের পর স্পিডবোট চলবে না। স্পীড বোটের যাত্রীদের অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট পরতে হবে।
 
সার্বিক অবস্থা মনিটরিংয়ের জন্য নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডিজিলেন্স টিম গঠন করবে। ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটসমূহে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নিয়ন্ত্রণের জন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
 
রবিবার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)  ভবনের  সভাকক্ষে আসন্ন ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি সার্ভিস ও বিভিন্ন স্টিমার, লঞ্চসহ অন্যান্য জলযানের নিরাপদ চলাচল বিষয়ক এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
 
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন,সুষ্ঠু নৌ চলাচল এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
 
তিনি জানান, ঈদে লঞ্চ যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পশ্চিমে একটি নতুন টার্মিনাল ঈদের আগেই চালু করা হবে। ঢাকার সদরঘাট টার্মিনালে নতুন তিনটি পন্টুন স্থাপন করা হয়েছে। লঞ্চ যাত্রীদের টিকেটের জন্য সদরঘাটে টিকেট কাউন্টার খোলা হয়েছে। ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানেও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধানে সিসিটিভি স্থাপন করা হবে।
 
সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, ঈদের সময় কোন ক্রমেই লঞ্চে যাত্রী ও মালামাল ওভারলোড করা যাবেনা। লোড লেভেল ক্রস করার আগেই লঞ্চ ছেড়ে দিতে হবে। সদরঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়ার পর পথিমধ্যে লঞ্চ থামিয়ে নৌকা বা অন্য কোন মাধ্যমে যাত্রী বা মালামাল উঠানো যাবেনা।
 
সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক, বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর এম জাকিরুল ইসলাম ভূঁইয়া, নৌ-পুলিশের মহাপরিচালক, লঞ্চ মালিক, শ্রমিক, সড়ক পরিবহন ফেডারেশন, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির প্রতিনিধিবৃন্দ, এবং জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারগন উপস্থিত ছিলেন।