রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ প্রমুখ। যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশীদ মুন্নার নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ীতে, ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান সজলের নেতৃত্বে সায়েদাবাদ জনপথ মোড়ে এবং আওয়ামী ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা দেলোওয়ার হোসেনের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা মোড়ে তিন শতাধিক আলেম মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান মাসুদ, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার আবুল কালাম অনুসহ আরো অনেকে। শাহবাগ মোড়ে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে। এতে সাইফুর রহমান সোহাগ ও জাকির হোসাইনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।
রাজধানীসহ সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মানববন্ধন কর্মসূচিতে কবি, সাহিত্যিক, সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, শ্রমিক, কৃষক, নারী, ছাত্র, যুবক, তরুণ সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছিল গতকাল রবিবার। এতে বক্তারা উল্লেখ করেছেন, যারা দেশে গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে তাদের চেয়ে বাংলাদেশের জনগণ শক্তিশালী। তাই এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড করে খুনিরা কিছুতেই রেহাই পাবে না।
বিএনপি-জামায়াত জোটের বিরুদ্ধে অব্যাহত গুপ্তহত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও জঙ্গিবাদী তত্পরতার অভিযোগ এনে তার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে একযোগে বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে আগামী ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই সারাদেশে গণপ্রতিরোধ সপ্তাহ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় ১৪ দল। গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সামনে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, গুপ্তহত্যাকারীদের চাইতে শক্তিশালী বাংলার জনগণ। দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তারা সেটি দেখিয়ে দিয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই আমরা সারাদেশের গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় গিয়ে গুপ্তহত্যা-সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করবো। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলবো। এদিকে জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু মিরপুর রোডে আড়ংয়ের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন।
ঢাকার গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার পথে মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা। নেতাকর্মীরা হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে তৈরি করেন মানববন্ধন। গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে এ মানববন্ধনের সূচনা। সেখান থেকে শ্যামলী, আসাদ গেট, ২৭ নম্বর রোড, রাসেল স্কয়ার, গ্রীন রোড, বসুন্ধরা, সোনারগাঁও হোটেল, শাহবাগ, মত্স্য ভবন, প্রেস ক্লাব, পল্টন মোড়, নূর হোসেন স্কয়ার, বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, গুলিস্থান পার্ক, ইত্তেফাক মোড়, রাজধানী মার্কেট, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা গিয়ে এ মানবপ্রাচীর শেষ হয়। নগরীর প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে অজস্র মিছিল নিয়ে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন ১৪ দলের নেতাকর্মী-সমর্থক ছাড়াও স্বাধীনতার পক্ষের অসংখ্য মানুষ। গুপ্তহত্যা বন্ধে মানববন্ধন থেকে সারাদেশে শহর-গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান জাতীয় নেতারা।
গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সামনে মানববন্ধনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদার, জাসদ (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, আওয়ামী লীগের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মৃনাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নুরুর রহমান সেলিম, ডা. শহিদুল্লাহ সিকদার, ডা. শাহাদাত্ হোসেন, এসকে সিকদার, রেজাউর রশিদ খান, অসীত বরণ রায়, মহানগর আওয়ামী লীগের আবুল হাসনাত, হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, ছাত্রলীগের জাকির হোসাইন প্রমুখ।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত জোটের পেট্রোলবোমা-আগুন সন্ত্রাস ও মানুষ হত্যা বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি, এখন গুপ্তহত্যাও বন্ধ হবে। ১৪ দলের বড় শক্তি হলো জনগণ। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও গুপ্তহত্যা প্রতিরোধের জন্য দেশের প্রগতিশীল সব শক্তির এগিয়ে আসতে হবে। গুপ্তহত্যাকারীদের ঠেকাতে সারাদেশের শহর-গ্রাম-পাড়া-মহল্লায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আপনি আলোচনা চান, অবশ্যই আমরা আলোচনা চাই। কিন্তু এর আগে সত্ সাহস থাকলে আপনি ঘোষণা করেন, জামায়াতের সঙ্গে আপনাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না। আপনি গুপ্তহত্যার জন্য ক্ষমা চান। তারপরে ভেবে দেখব বসা যায় কি না। তার আগে কোনো খুনির সঙ্গে আমরা বসতে পারি না।
খালেদা জিয়াকে মিথ্যাবাদী, হিংসুটে ও ঝগড়াটে মহিলা আখ্যায়িত করে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, আন্দোলনের নামে টানা ৯২ দিন আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি জামায়াত এখন গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আপনি ভুলে গেছেন, ক্ষমতায় থাকতে আপনি কী করেছিলেন? শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও আহসানউল্লা মাস্টার হত্যা আপনার সময়ই হয়েছিল। বাংলা ভাই তো আপনারই সৃষ্টি। সবকিছু ভুলে গেছেন? এখন আপনি শেখ হাসিনাকে হুমকি দেন! বাংলার মানুষ আপনাকে প্রতিরোধ করবে।
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘জনগণের এই অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। আজকে বেছে বেছে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। পুরোহিত, যাজকদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। আসলে দেশে একটি সাম্প্রদায়িক আবহ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। সবাই মিলে এর প্রতিরোধ করতে হবে।’
আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ খালেদা জিয়ার জাতীয় ঐক্যের ডাকের সমালোচনায় বলেন, আমরাও ঐক্য চাই। তবে যারা গুপ্তহত্যা করে মানুষ মারে, আগুন দিয়ে মানুষ মারে তাদের সঙ্গে ঐক্য নয়।
জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, জনগণ যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশে থেকে গুপ্তহত্যাকারীদের রুখে দেয় সেজন্য মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গুপ্তহত্যায় জড়িতদের বিচার দাবি করে তিনি বলেন, গুপ্তহত্যা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে একাত্তরের মতো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণঐক্য সৃষ্টি করতে হবে। এক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা গুপ্তহত্যা চাই না, গুপ্তহত্যায় জড়িতদের বিচার চাই। জাসদের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার গুপ্তহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে পাড়া-মহল্লায় প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাসেল স্কোয়ারে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, উত্তরায় যে অস্ত্র পাওয়া গেছে তা যৌথবাহিনীর অভিযানের ফসল। দুষ্কৃতকারীরা উপলব্ধি করেছে তাদের পথ সঠিক নয়। আমরা মনে করি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অতি শীঘ্রই দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসবে। গুপ্তহত্যার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দায়ী করে তিনি বলেন, দেশের আজকের অশান্ত পরিবেশের জন্য খালেদা জিয়া দায়ী। দেশে পুরোহিতকে হত্যা করা হয়, বেছে বেছে টার্গেট কিলিং করা হয়। যাতে প্রতিবেশী দেশ প্রতিক্রিয়া দেয়। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী কঠোরভাবে জঙ্গিবাদ কর্মসূচি নির্মূলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন আমরা সম্পূর্ণভাবে জঙ্গিবাদকে নির্মূল করবো। রাসেল স্কোয়ারে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সতীশ চন্দ্র রায়, ডা দীপু মনি, ড. আবদুর রাজ্জাক, আহমদ হোসেন, আবদুস সোবহান গোলাপ, আবদুর রহমান এসএম কামাল হোসেন, উত্তর মহানগরের সাদেক খান, মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশাররফ, যুব মহিলা লীগের অপু উকিল, ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।
রাজধানীর আসাদগেটের সামনে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি-জামায়াত তলে তলে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। এরা অনেক শক্তিশালী। নীরব কর্মসূচি দিয়ে বা জুঁই ফুলের ঘ্রাণ দিয়ে নয়, বরং অ্যাকশন ধর্মী কর্মসূচি দিয়ে গুপ্তহত্যা জঙ্গিবাদকে পরাস্ত করতে হবে। তিনি বলেন, যে জাতি মুক্তিযুদ্ধ করে বিজয় লাভ করেছে, যে জাতি পাকিস্তানকে পরাজিত করে বিজয় এনেছে, যে জাতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু, মেট্রো রেলের মতো উন্নয়ন প্রকল্প করতে পারে সে জাতি গুপ্তহত্যা, জঙ্গিবাদকে মোকাবিলা করতে পারবেই। আসাদগেটের সামনে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীসহ ১৪ দলের নেতারা।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে
ধানমন্ডিতে জেপির মানববন্ধন
সন্ত্রাস, গুপ্তহত্যা, সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল করার ঘৃণ্য প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ১৪ দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জোট শরিক জাতীয় পার্টি (জেপি) একই দিন রাজধানীর মিরপুর রোডে আড়ংয়ের সামনে থেকে ধানমন্ডি পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয়, অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসমূহের শত শত নেতা-কর্মী এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। অন্যদিকে জেপির অতিরিক্ত মহাসচিব সাদেক সিদ্দিকী টাঙ্গাইল জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ১ ঘণ্টাব্যাপী আড়ংয়ের সামনে থেকে ধানমন্ডি পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে জাতীয় পার্টি-জেপির প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহ রফিকুল বারী চৌধুরী, এ.এইচ. সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, এজাজ আহমেদ মুক্তা, আমিনুল ইসলাম পিন্টু, রুহুল আমীন এমপি ও নাজমুন্নাহার বেবী, ভাইস চেয়ারম্যান মীর হারুন অর রশীদ, শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, যুগ্ম মহাসচিব খন্দকার শাহীন আলদ্বীন রীজভি, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু, দপ্তর সম্পাদক এম সালাহ উদ্দীন আহমেদ, প্রকাশনা সম্পাদক কে.এম মজিবুর রহমান মজনু, ক্রীড়া সম্পাদক আবুল হোসেন, যুবসংহতির সভাপতি এম.এ কাইয়ুম, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান ও সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম তপন, শিক্ষা ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম রুবেল, যুগ্ম দফতর জীবন কৃষ্ণ বৈরাগী এবং জেপির কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ নাজমুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব ডা. বেলাল মৃধা, বগুড়া জেলার সাধারণ সম্পাদক সান বারী, নওগাঁ জেলার আহ্বায়ক সাইদুর রহমান বকুল, যুবসংহতির নেতা মঞ্জুর হাবীব মঞ্জু, নাজমুল হক, জাকির সুলতান, এম.এ করিম সিকদার প্রমুখ অংশ নেন।
এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন মানববন্ধনে অংশ নেন। এছাড়াও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্স (বিএনএ)’র আহ্বায়ক ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার নেতৃত্বাধীন জোটের নেতারা অংশ নেন। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা হাইকোর্টের সামনের রাস্তায় মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সংগঠনের নেতারা বলেন, সংখ্যালঘুরাই গুপ্তহত্যার শিকার হচ্ছেন। গুপ্তহত্যা বন্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
