সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করে গ্রুপ সেরা ফ্রান্স

আপডেট : ২০ জুন ২০১৬, ১০:১৯
 
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে বারবার আক্রমণ হেনেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট হারাতে হল ফ্রান্সকে। গোল শূন্য ম্যাচে পগবারা বারবার আক্রমণ করেও ভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছে সুইস রক্ষণভাগকে।
 
রবিবার রাতের এই ম্যাচে পয়েন্ট হারালেও 'এ' গ্রুপের শীর্ষে থেকেই শেষ ষোলোয় উঠেছে দিদিয়ার দেশমের দল। রানার্সআপ হয়ে সেখানে তাদের সঙ্গী সুইজারল্যান্ডও। তিন ম্যাচে ফ্রান্সের পয়েন্ট ৭। এক জয় ও দুই ড্রয়ে সুইসদের পয়েন্ট ৫।
 
ঘরের মাঠ লিলেতে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ফ্রান্স। সময়ের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার পগবার নৈপুণ্যে পাঁচ মিনিটের মধ্যে তিন-তিনবার এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায়; তবে ভাগ্যের ফেরে আর সুইস গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় গোলবঞ্চিত হয় স্বাগতিকরা।
 
দ্বাদশ মিনিটে দুজনকে কাটিয়ে জোরালো শট নেন পগবা। গোলরক্ষক ইয়ান সোমার কোনোমতে বলে হাত লাগালে তা ক্রসবারে লাগে। পরের মিনিটে ফের দলকে বাঁচান বরুসিয়া মনশেনগ্লাডাবাখের এই গোলরক্ষক; দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া পগবার কোনাকুনি শট বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে ঠেকান। সপ্তদশ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে পগবার বিদ্যুৎ গতির শট ফের ক্রসবারে লাগলে হতাশা বাড়ে ১৯৯৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।
শুরুর আক্রমণের ঝাপটা সামলে নিজেদের গুছিয়ে নেয় সুইজারল্যান্ড। রক্ষণ সামলে পাল্টা আক্রমণে উঠে তারা; কিন্তু প্রথমার্ধে নিশ্চিত কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
 
৫৭তম মিনিটে ফরাসিদের হতাশ করে গোল করার মতো জায়গায় থেকে গোলরক্ষক বরাবর শট নেন গ্রিজমান।
 
৭৫তম মিনিটে আরেকবার ফ্রান্সের গোলের চেষ্টায় বাধা ক্রসবার। সঙ্গে লেগে থাকা প্রতিপক্ষের দুজনকে গতিতে পরাস্ত করে অনেকটা ছুটে দারুণ এক ক্রস দেন মিডফিল্ডার মুসা সিসোকো। ডি বক্সের বাঁ-দিক দিয়ে ঢুকে তাতে জোরালো ভলি করেন পায়েত। গোলরক্ষককে ফাঁকি দিলেও ক্রসবারের বাধা এড়াতে পারেননি।
 
প্রথম দুই ম্যাচেই শেষ মুহূর্তে জয়সুচক গোল করা পায়েত এ দিনও সুযোগ পেয়েছিলেন; কিন্তু এবার আর পারলেন না। তার ফ্রি-কিক সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ দেয়ালেই আটকে যায়।
 
এই গ্রুপের অন্য ম্যাচে রোমানিয়াকে চমকে দিয়েছে যেকোনো বড় প্রতিযোগিতায় এবারই প্রথমবারের মতো খেলার সুযোগ পাওয়া আলবেনিয়া। আরমান্দু সাদিকুর একমাত্র গোলে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে দলটি। সাদিকুরের ৪৯তম মিনিটের গোলে বড় দায় রয়েছে রোমানিয়ার গোলরক্ষকের। এগিয়ে এসে উঁচু ক্রসের ফ্লাইট বুঝতে পারেননি তিনি। সুযোগ কাজে লাগিয়ে চমৎকার হেডে দলকে এগিয়ে নেন সাদিকু। এই গোলই দলকে তিন পয়েন্ট এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।
 
ইউরোর ছয়টি গ্রুপের সেরা দুইটি করে দল এবং তৃতীয় স্থানের সেরা চারটি দল পরের রাউন্ডে উঠবে। সেরা তৃতীয় হিসেবে আলবেনিয়ার উঠা কঠিনই হবে, তিন ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩। অন্য দিকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে রোমানিয়ার। সমান ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১। বিডি নিউজ।