পায়রা পূর্ণাঙ্গ সমুদ্রবন্দর হবে ২০৩০ সালে

আপডেট : ২১ জুন ২০১৬, ১৩:০৭
 
পায়রা সমুদ্রবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে জানালেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের একাদশতম অধিবেশনে এ কে এম মাঈদুল ইসলামের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন।
 
এ সময় তিনি জানান, তিনটি ধাপে পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এ জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সমুদ্রবন্দর হিসেবে পায়রা বন্দরের কাজ তৃতীয় ধাপে ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন, পায়রা বন্দর নির্মাণ প্রকল্পটি জিটুজি এবং এফডিআই ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। সরকারের পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় জমি ও অবকাঠামো নির্মাণ করে দেওয়া হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা তাদের নিজস্ব অর্থ এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে। সরকারকে সরাসরি কোনো অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে না।
 
মন্ত্রী বলেন, তিনটি ধাপে পায়রা বন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম ফেইজে ২০১৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে বহিঃনোঙ্গরে ক্লিংকার, সার ও অন্যান্য বাল্ক পণ্যবাহী জাহাজ আনয়ন এবং লাইটার জাহাজের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে পরিবরহন করা হবে।
 
দ্বিতীয় ধাপে ২০১৮ সালের মধ্যে পায়রা বন্দরের টার্মিনাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে। তৃতীয় ধাপে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে।
 
শাজাহান খান বলেন, বন্দরটি নির্মাণ হলে এর মাধ্যমে দেশের সম্ভাব্য আয়ের পরিমাণ নিরূপণ করা না গেলেও বন্দর সুবিধা ব্যবহার করে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমের কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। দেশের আর্ন্তজাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে এবং শিল্পায়নের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।