বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ২০১১ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে বৃদ্ধি পেয়েছে। 'রিপোর্ট অন বাংলাদেশ সেম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০১৫'-তে এ কথা বলা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, ২০১১ সালে দেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৯ বছর, আর ২০১৫ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ দশমিক ৯ বছর হয়েছে। বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত 'রিপোর্ট অন বাংলাদেশ সেম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০১৫' প্রকাশ করা হয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অনুষ্ঠানে 'রিপোর্ট অন বাংলাদেশ সেম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০১৫'-এর মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আ হ ম মুস্তফা কামাল বাংলাদেশের অর্থনীতি অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বলেছেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৪তম এবং ক্রয় ক্ষমতার সক্ষমতার দিক থেকে ৩২তম স্থানে অবস্থান করছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪০ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত ১০টি দেশের কাতারে সামিল হবে বলেও পরিকল্পনা মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
রিপোর্টে মোট ১৫টি ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত এই রিপোর্টে বলা হয়, ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৫ কোটি ৮০ লাখ ৯০ হাজার (১৫৮.৯ মিলিয়ন), যা ২০১১ সালে ছিল ১৫ কোটি ৬০ হাজার (১৫০.৬ মিলিয়ন)।
আর শিক্ষার হার ২০১১ সালে ছিল ৫৫ দশমিক আট। ২০১৫ সালে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়ে ৬৩ দশমিক ৬ ভাগে উপনীত হয়েছে। ২০১১ সালে প্রতি হাজারে জন্ম হার ছিল ১৯ দশমিক ২ এবং ২০১৫ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ১৮ দশমিক ৮। অনুরূপ মৃত্যু হার একই সময়ে ৫ দশমিক ৫ ভাগ থেকে কমে ৫ দশমিক ১ ভাগে পৌঁছেছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, 'আমাদের বহুদূর এগুতে হবে। চলমান অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে অন্যান্য বিষয়ের সাথে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যথাযথ পরিসংখ্যান প্রয়োজন। বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে যেমন সফলতা অর্জন করেছে ঠিক তেমনি সফলতার সাথে এসডিজি অর্জনেও আমরা প্রস্তুত।' অনুষ্ঠানে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কেএম মোজাম্মেল হক, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক আবদুল ওয়াজেদ, বাংলাদেশে ইউনিসেফ প্রতিনিধি এডুয়ার্ড বেইডার এবং প্রকল্প পরিচালক মো : আশরাফুল হক বক্তৃতা করেন। খবর- বাসস।
