'শিশুশ্রম বন্ধে ব্যবস্থা না নিলে সরকার আইন প্রয়োগ করবে'

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৬, ২১:৫১
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ট্যানারি শিল্পকে শিশু শ্রমিক মুক্ত করতে এর মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মালিকদের হুশিয়ার করে বলেন, 'তারা যদি শিশুশ্রম বন্ধে ব্যবস্থা না নেন তাহলে সরকার আইন প্রয়োগে বাধ্য হবে।'
 
মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, 'শিশু আইন অনুযায়ী ১৪ বছরের নিচে কোন শিশুকে কর্মে নিযুক্ত করা যাবে না এবং ১৪ থেকে ১৮ বছরের নিচে কোন শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োগ করা যাবে না। কিন্তু এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে এখনও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সস্তা শ্রমের কারণে শিশুদের কর্মে নিয়োগ করছে।'
 
প্রতিমন্ত্রী রবিবার রাজধানীর হাজারীবাগে ইন্সটিটিউট অফ লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজিতে ট্যানারি শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত করতে বহুপাক্ষিক অংশগ্রহণ বিষয়ক এক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
 
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মারুফ আহমেদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ডা আমিনুল ইসলাম, ইনসিডিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মাসুদ রানা , ট্যানারি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ স¤পাদক আব্দুল মালেক, আই এল ও প্রতিনিধি মনিরা সুলতানা, ট্যানারি মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
 
ট্যানারি শিল্প ঝুঁকিপূর্ণ ৩৮ টি শ্রমের মধ্যে অন্যতম উল্লেখ করে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, 'এই সেক্টরে এখন ও শিশু শ্রমিক রয়েছে। কোন রকমের ওজর আপত্তি না করে ট্যানারি শিল্পকে শিশু শ্রমিক মুক্ত করতে তিনি টেনারী মালিকদের প্রতি আহবান জানান। জাতিসংঘ ঘোষিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) অর্জন করতে হলে আমাদের দেশকে শিশুশ্রম মুক্ত করতে হবে।'
 
আইএল ও এর আর্থিক সহযোগিতায় ইনসিডিনিস বাংলাদেশের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন , টেনারী মালিক সমিতি, টেনারী শ্রমিক ইউনিয়নের, শ্রম মন্ত্রণালয়ের, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এবং বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিসহ কিছু শিশু শ্রমিক ও তাদের পিতা মাতা ।