আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে পশ্চিমাঞ্চলের রেল পুলিশকে (জিআরপি) সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ট্রেনে যাত্রীর নিরাপত্তা, টিকিট কালোবাজারি রোধ ও নাশকতা ঠেকাতে সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলা পুলিশ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সেই সঙ্গে আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত রেল পুলিশের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলা পুলিশের প্রজ্ঞাপন থেকে ওই তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঈদে রেলস্টেশনগুলোতে টিকিট কালোবাজারি বেড়ে যায়। ট্রেনে যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় চুরি, ছিনতাইয়ের মতো নানা ঘটনা ঘটে। এসব মাথায় রেখে এ অঞ্চলের ২৬টি রেলওয়ে স্টেশনে স্থাপন করা হয় তথ্যকেন্দ্র। ওই কেন্দ্র থেকে যাত্রী সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ শুরু হয়েছে। প্রতিটি স্টেশন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঈদ শুভেচ্ছাসহ রেল পুলিশের কর্মসূচি-সংবলিত পোস্টার ও ব্যানার ঝোলানো হয়েছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলার অধীন রয়েছে ১২টি থানা। এগুলো হচ্ছে সৈয়দপুর সদর, দিনাজপুর, পার্বতীপুর, লালমনিরহাট, বোনারপাড়া, সান্তাহার, ঈশ্বরদী, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, রাজবাড়ী, পোড়াদহ ও খুলনা থানা। এ ছাড়া ১৬টি রেলওয়ে ফাঁড়ি রয়েছে বিভিন্ন স্টেশনে।
রেল পুলিশ সূত্র জানায়, বড় বড় স্টেশনে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে সন্দেহভাজন যাত্রীদের তল্লাশি করা হচ্ছে। ট্রেনে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। এতে স্থাপিত হটলাইনে ভুক্তভোগী যাত্রীদের যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। ট্রেনে বিতরণ করা হচ্ছে লিফলেট ও পোস্টার। যাতে লেখা রয়েছে ওই হটলাইন নম্বর।
পুলিশ সুপার সিদ্দিকী তাঞ্জিলুর রহমান বলেন, কোনোভাবে ট্রেনে অরাজকতা বরদাশত করা হবে না। এ জন্য নিয়োজিত থাকছেন ৬৬২ জন পুলিশ সদস্য। এ ছাড়া ২০০ ব্যাটালিয়ন আনসার, রেলপথ-সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ ও মেট্রোপলিটন পুলিশকে সহযোগী হিসেবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
