ঘরে ফেরা মানুষের জন্য নৌ মন্ত্রণালয়ের ব্যাপক প্রস্তুতি

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৬, ১৮:১৬
 
ঈদে নৌ পথে ঘরে ফেরা মানুষের জন্য নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ঢাকার সদরঘাট, লালকুঠিঘাট, মাওয়া, আরিচা প্রভৃতি স্থান ইতোমধ্যে যাত্রীদের ঈদে ঘরে ফেরার সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
 
ঢাকা থেকে চাঁদপুর গামী লঞ্চ সদরঘাটের পাশে লালকুঠি ঘাট থেকে ছেড়ে যাবে। এখানে নতুন ২টি পন্টুন স্থাপন করা হয়েছে। কেবলমাত্র ঈদের জন্য সারা দিন ৩০টির মতো লঞ্চ যাতায়াত ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি এখন থেকে সারা বছর চলবে। এখন থেকে লঞ্চের টিকিট লঞ্চে বসে কাটতে হবেনা। লঞ্চের টিকিট যাত্রীদের পাওয়ার সুবিধার্থে লঞ্চের বাইরের থেকে সংগ্রহ করতে হবে। সদরঘাটের বর্ধিত ভবনে ৩৫টি কাউন্টার থেকে এ টিকিট দেয়া হবে। এ থেকে বোঝা যাবে কতজন যাত্রী লঞ্চে আরোহন করেছে।
 
এ ছাড়া রয়েছে বর্ধিত লঞ্চ। এ এগুলোকে বলা হয় স্পেসাল সার্ভিস।যেলঞ্চটি ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে ঢাকা থেকে বিকেলে ছেড়ে সকালে বরিশাল পৌছে সেই লঞ্চটি পুনারায় বরিশাল খেকে সকালে ছেড়ে আসবে।লঞ্চটি আগে বরিশাল থেকে বিকেলে ছেড়ে আসতো। এ লঞ্চটি ঈদের ৭দিন পূর্বে ও ঈদের ১০নি পর চলবে।
 
নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, ‘আমরা চাই মানুষ নিরাপদে ঘরে ফিরে ঈদ করতে পারে। পথি মধ্যে কোনদুর্ঘনা না ঘটে এদিকে আমাদের সর্বোচ্চ দৃষ্টি রয়েছে। মাওয়াঘাটে স্পিডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া না নেয় এ জন্য পুলিশিং এর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে’।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থার( বিআইডব্লিউটিএ ) চেয়ারম্যান কমোডর মোজাম্মেল হক বলেন, ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের জন্য মাওয়া-কাঠালবাড়ী ও আরিচা-দৌলদিয়া থেকে যাতায়াতের সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে। কাঠালবাড়ীর নদীতে ড্রেজিং কাজ চলছে। ২টি ঘাটে পাকিং ইয়ার্ড, টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আরিচা দৌলদিয়া ঘাট ও ঘাটের ভাঙন ঠিক করা হয়েছে।