অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হওয়া আরাফাত সানি ঘরোয়া ক্রিকেট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও অভিযুক্ত হয়েছেন। প্রিমিয়ার লিগে বোলিং অ্যাকশনে প্রশ্নবিদ্ধদের তালিকায় রয়েছেন ১১ জন বোলার।
এর মধ্যে রয়েছেন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানি। ভারতে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটি খেলেই অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে অভিযুক্ত হন তিনি। অভিযুক্ত হবার পর আইসিসি অনুমোদিত চেন্নাইয়ের শ্রীরামাচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন এই স্পিনার। রিপোর্ট নেতিবাচক হওয়ায় সানিকে নিষিদ্ধ করে আইসিসি। দেশে ফিরে নিজেকে শুধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে আবারো ফিরেন সানি।
প্রথম দিকে না খেললেও লিগ পর্বের শেষ দিকে চারটা ম্যাচ খেলেন শেখ জামালের এই ক্রিকেটার। তাতেও রক্ষা হলো না। ঘরোয়া লিগেও প্রশ্নবিদ্ধ তার বোলিং অ্যাকশন। বাংলাদেশ দলের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে সানি অ্যাকশন শুধরানো নিয়ে কাজ করায় বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কমিটি বাকি ১০ জনকে নিয়ে কাজ শুরু করবে আগামী ২০ জুলাই। সন্দেহের তালিকায় থাকা বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ছাড়া সবাই স্পিনার।
প্রিমিয়ার লিগে প্রশ্নবিদ্ধ বোলিং অ্যাকশন বোলাররা হলেন- আরাফাত সানি (শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব), মুস্তাফিজুর রহমান বাশার (অফ স্পিনার, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), মইনুল ইসলাম (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), অমিত কুমার নয়ন (আবাহনী), রেজাউল করিম (প্রাইম দোলেশ্বর), মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ (কলাবাগান ক্রীড়া চক্র), আসিফ আহমেদ রাতুল (লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ), নাইম ইসলাম জুনিয়র (মোহামেডান), ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স (মোহামেডান), সঞ্জিত সাহা (ব্রাদার্স ইউনিয়ন), মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন (সিসিএস)।
