গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারি ও-এর দোতলায় অবস্থিত ‘ও’ কিচেনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলামের গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের কাটিগ্রামে চলছে শোকের মাতম।
শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের কাটিগ্রামে গিয়ে দেখা যায়- শোকের মাতম চলছে। রবিউলের মা ও দাদী বিলাপ করছে। আত্মীয়-স্বজনদের কান্নায় এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে।
দুই ভাইয়ের মধ্যে রবিউল ছিল বড়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করে রবিউল চলে যান ইতালি। সেখান থেকে ৩ বছর পর ফিরে এসে ৩০তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। শারদায় ট্রেনিং শেষে ঢাকায় ডিবির সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। চাকরির ৪ বছরের মধ্যেই তিনি এলাকায় গড়ে তোলেন শিশুদের জন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অপরদিকে সাধারণ শিশুদের জন্যও গড়ে তোলেন নজরুল বিদ্যাসিঁড়ি নামে একটি প্রতিষ্ঠান। নিজের রেশনের সব পণ্যই তিনি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশুদের খাবারের জন্য দিতেন।
রবিউল মামাতো বোন উম্মে সালমাকে বিয়ে করেন। সামি নামে তার ৫ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সালমা বর্তমানে সন্তান সম্ভাবা। তার স্ত্রী ধামরাই বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। গ্রামের বাড়িতে রবিউলের মা, দাদী থাকেন। ছোট ভাই সামছুজ্জামানও ঢাকায় চাকরি করেন।
ঈদের ছুটিতে রবিউলের বাড়িতে আসার কথা ছিল।
