আমিরের সামনে কঠিন সময় : কুক

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৬, ১৯:৩৮
চলতি মাসের মাঝামাঝিতে লর্ডসে টেস্ট ক্রিকেটে ফেরা পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমিরকে দর্শকদের কাছ থেকে তীর্যক সংবর্ধনা পেতে হতে পারে বলে ধারণা করছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক এলিস্টার কুক।
 
২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে লর্ডস টেস্টে ইচ্ছাকৃত নো-বল করে বাঁ-হাতি পেসার আমিরের অসাধারণ ক্যারিয়ার থমকে যায়। তৎকালীন অধিনায়ক সালমান বাটের প্ররোচনায় আমির এবং আরেক পেসার মোহাম্মদ আসিফও জড়িয়ে পড়েন স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে।
 
ফলে তিন জনকেই পাঁচ বছরের জন্য ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করা হয়। স্পোর্টস এজেন্ট মাজহার মজিদসহ তিন জনকেই ইংল্যান্ডের মাটিতে জেল খাটতে হয়।
 
ইংল্যান্ডের একটি কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে তিন মাস কাটানো আমির গত জানুয়ারিতে পাকিস্তান দলে ফেরার পর কবেলমাত্র কয়েকটি সিমিত ওভারের ম্যাচ খেলেছেন।
 
তবে চার ম্যাচের সিরিজের লর্ডসে ১৪ জুলাাই শুরু হতে যাওয়া প্রথম ম্যাচে পুরোপুরি দুষ্ট চক্রে পড়ে যেতে পারে ২৪ বছর বয়সী আমির।
বর্তমানে টনটনে সমারসেটের বিপক্ষে অনুশীলন ম্যাচ খেলতে থাকা পাকিস্তান অধিনায়ক মিসবাহ উল হক পুনরায় ক্রিকেটে ফেরা এ পেসারকে সমর্থন করে বলেন, আমির বিশ্ব সেরা বোলার হতে যাচ্ছেন।
 
তবে কুক বলেছেন, প্রথম দিকে আমিরকে দর্শকদের কাছ থেকে দূয়োধ্বনি শুনতে হতে পারে।
 
একটি স্পন্সর অনুষ্ঠানে কুক বলেন, ‘আমি নিশ্চিত মাঠে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে এবং এটাই ঠিক। আপনি যখন কোন অন্যায় করবেন এবং তার শাস্তি ভোগ করে মাঠে ফিরবেন, সেটা যেভাবেই হোক এমনটা ঘটা স্বাভাবিক, এটাই নিয়ম।’
 
লর্ডসে ২০১০ সালে সেই বিতর্কিত টেস্ট খেলা ওপেনার কুক আরো বলেন,‘ একটা দল হিসেবে এটা আমাদের প্রভাবান্বিত করবেনা। আমরা যেভাবে মনোনিবেশ করে খেলি এ ম্যাচেও আমাদেও মনোনিবেশ একই থাকবে। গণমাধ্যম এ ব্যপারে অনেক প্রশ্ন করবে তবে তা আমাদের উপড় কোন প্রভাব ফেলবে না।’
 
আমিরের বিপক্ষে খেলতে কোন সমস্যা নেই জানালেও ভবিষ্যতে ম্যাচ ফিক্সারদের আজীবন নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দেন কুক। তিনি বলেন, ‘আমি একমত বা দ্বিমত যা-ই পোষণ করি না কেন, সে শাস্তি পেয়েছে। সে নিষিদ্ধাদেশ কাটিয়ে এসেছে এবং পুনরায় খেলায় ফেরার অধিকার তার আছে।