যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, 'দেশের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র চলছে। তাই যুবলীগ নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। গণসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।'
বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে যুবলীগ চেয়ারম্যানের বাসভবনে এক জরুরি অলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভায় যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, ‘গুলশানে জঙ্গি হামলার রেস কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার ঈদের দিন শোলাকিয়া ঈদগায়ের পাশে জঙ্গি হামলায় দুই পুলিশ সদস্যসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এই হামলা কারা করেছে? কে বেনিফিসারি বা কোন দলের লাভ হবে? কে বা কারা অর্থ যোগান দিচ্ছে? এতো খরচ কে বহন করছে- কি তাদের উদ্দেশ্য? বাংলাদেশের মানুষ আজ অনেক সচেতন। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সরকার ব্যর্থ হলে কার বা কোন দলের লাভ হবে। বিশ্ব ব্যাংক বলছে বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশ যখন একের পর এক সাফল্য অর্জন করছে তখন এই হামলা কেন?'
IMG0
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ। এই সম্প্রীতি কোন দল বা গোষ্ঠি নষ্ট করতে চায় ? তাদের উদ্দেশ্য কি আমাদের বুঝতে বাকি নেই। যড়যন্ত্র চলছে। তাই যুবলীগ নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। গণসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। যারা জঙ্গি হামলা করছে তাদের বাংলাদেশের মানুষ ঘৃনা করছে। এমনকি জঙ্গিদের পরিবার তাদের মরদেহ দাবি করছে না। তাদের পরিবার দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছে।
তিনি আরো বলেন, আগামী ১১ জুলাই ১৪ দলের কর্মসূচিতে যুবলীগকে ব্যাপকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে। যুবলীগের নিজস্ব কর্মসূচি পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।
যুবলীগ চেয়ারম্যান প্রত্যেকটি ইউনিটে যেমন মহানগর, জেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে এই জঙ্গি হামলার বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি করতে কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণা দেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আহম্মেদ আল কবির, শহীদ সেরনিয়াবাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা।
উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, রেকায়াত আলী খান নিয়ন, সফেদ আশফাক তুহিন, সামসুল আরেফিন নাঈম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি মাঈন উদ্দিন রানা, সোহরাব হোসেন স্বপন প্রমুখ।
