সিরিয়ায় ৬০ বেসামরিক লোক নিহত

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০১৬, ১৪:১৩
 
সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিমান হামলা ও গোলা বর্ষণে ৬০ জনেরও বেশি বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চলমান অস্ত্রবিরতির সময় শেষ হওয়ার কয়েক ঘন্টা আগে শুক্রবার এই হামলা চালানো হয়। একটি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এই তথ্য জানিয়েছে।
 
বুধবার অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করার পর থেকেই লড়াই অব্যাহত রয়েছে। বিশেষত সিরিয়ার দ্বিতীয় নগরী আলেপ্পোতে তুমুল লড়াই চলছে। সংঘর্ষে বিভক্ত নগরীটিতে উভয়পক্ষের লোকই হতাহত হচ্ছে।
 
ব্রিটেন ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে বিদ্রোহীদের গোলার আঘাতে চার শিশুসহ ৩৪ বেসামরিক লোক নিহত ও আরো দুইশো জন আহত হয়েছে।
 
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, এই হামলায় ২৩ জন নিহত ও ১৪০ জন আহত হয়েছে। তারা অস্ত্রবিরতি লঙ্গনের জন্য বিদ্রোহীদের দায়ী করেছে।
 
২০১২ সালের মাঝামাঝি থেকে আলেপ্পোর পশ্চিমাংশ সরকারি বাহিনী ও পূর্বাংশ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
 
নগরীর পূর্বাঞ্চল থেকে এএফপির এক প্রতিনিধি জানান, সরকারি বাহিনী শুক্রবার বিরোধীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান ও রকেট হামলা চালিয়েছে।
 
কাস্টেলো যাওয়ার পথে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত একটি এলাকায় সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় তিন শিশুসহ ৬ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে।
 
সেনাবাহিনী নগরীর বিদ্রোহীদের একমাত্র সরবরাহ রুটটিকে পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্য অগ্রসর হচ্ছে।
 
অবজারভেটরি জানিয়েছে, তুরস্ক সীমান্তবর্তী আল-কায়েদা নিয়ন্ত্রিত শহর দারকুশে বিমান হামলায় অন্তত ২২ বেসামরিক লোক নিহত ও আরো কয়েকজন আহত হয়েছে।
 
সিরিয়ান অবজারভেটরি অব হিউম্যান রাইটসের পরিচালক রামি আব্দেল রহমান বলেন, এই হামলায় এক শিশু ও সাত নারীসহ ২২ জন নিহত হয়েছে। এই হামলা সম্পর্কে অবজারভেটরি তাত্ক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য করেনি।
 
দারকুশ আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট আল-নুসরা ফ্রন্ট ও তাদের মিত্র বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইদলিবও এদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। খবর: এএফপি।