এখন পর্যন্ত নিশ্চিত। তবুও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার। সেই সিদ্ধান্তের অলিম্পিকে খেলার আশায় বুক বেধে আছেন বাংলাদেশের সেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান।সিদ্দিকুর ১৯০৪ সালের পর আবার অলিম্পিক গেমসে ডিসিপ্লিন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া গলফে খেলতে পারবেন কিনা তা জানার জন্য আন্তর্জাতিক গলফ ফেডারেশনের চূড়ান্ত র্যাংকিংয়ের তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
আন্তর্জাতিক গলফ ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী র্যাংকিংয়ের ৫৯ জন গলফার রিও অলিম্পিক গেমসে খেলার সুয়োগ পাবেন। ১১ জুলাই শীর্ষ ১৫ জনের স্থান চূড়ান্ত হবে। শীর্ষ ১৫-তে কোনও দেশ থেকে চারজনের বেশি খেলোয়াড় সুযোগ পাবেন না। বাকি ৪৪ জনের মাঝে এবার শুরু হবে পরবর্তী স্থানগুলো পূরণ করার পালা। এখানে আবার প্রতি দেশ থেকে দুই জনের বেশি সুযোগ পাবেন না অর্থাৎ কোনও দেশের যদি তিনজন গলফার এ তালিকার মধ্যে থাকেন তবে তৃতীয় র্যাংকিংয়ের গলফার বাদ পড়ে যাবেন। সুযোগ পাবেন অন্য দেশের গলফার।
আজ পর্যন্ত সিদ্দিকুরের বিশ্বর্যাংকিং ছিল ৫৩। সে ক্ষেত্রে কাঁটায় কাঁটায় ঝুলছে তার ভাগ্য। তবে সিদ্দিকুরের জন্য অন্য পথও খোলা আছে। দেশভিত্তিক বণ্টনের পর অলিম্পিক মুভমেন্ট অব্যাহত আছে এমন মহাদেশগুলোর জন্য রয়েছে একটি করে টিকিট। শীর্ষ ৫৯-এ এশিয়ার গলফার রয়েছেন ১৩ জন। এর মাঝে কোরিয়ার বিয়ং হুন আনের র্যাংকিং ১০, থাইল্যান্ডের তংচান জাইদির ১১, কোরয়িার কে টি কিমের ১২, থাইল্যান্ডের কিরাদেচ আপিভারমাতের ১৮, ভারতের অনির্বান লাহিড়ির ২১, ফিলিপাইনের মিগুয়ের তাউবেনার ৩৭, চীনের হাও তং লির ৩৮, ভারতের এস চৌরাশিয়ার ৪৫, মালয়েশিয়ার ড্যানি চিয়ার ৪৬। এরাই র্যাংকিংয়ে সিদ্দিকুরের চেয়ে এগিয়ে।
বাকি তিনজন সিদ্দিকুরের পেছনে আছেন। এশিয়ানরা যদি নিজ র্যাংকিংয়ের সুবাদে যোগ্যতা অর্জন করেন তাহলেও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ থাকবে সিদ্দিকুরের।
