২০১৪ ও ২০১৫ সালে টানা দু বছর ধরে ফুড ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের ভোক্তাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে 'ফ্রেশ' ব্র্যান্ডের পণ্য। সাম্প্রতিক সময়ে স্পেন ভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কান্তার ওর্য়াল্ড প্যানেল এর ব্র্যান্ড ফুটপ্রিন্ট শীর্ষক স্টাডি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
কান্তার ওর্য়াল্ড প্যানেল ক্রেতাদের আচরণ সংক্রান্ত গবেষণায় পৃথিবীর শীর্ষস্থানে রয়েছে।
পেনিট্রেশন, ফ্রিকোয়েন্সি এবং CRP (Consumer Reach Point) এই তিনটি তথ্যের ভিত্তিতে কান্তার ওর্য়াল্ড প্যানেল প্রতি বছর এফএমসিজি এর বিভিন্ন ক্যাটাগরীর জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের তথ্য - ব্র্যান্ড ফুটপ্রিন্ট রিপোর্টে প্রকাশ করে থাকে।
এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় বিশ্বজুড়ে ভোক্তারা প্রতিদিন কিভাবে বিভিন্ন পানীয়, খাদ্য, স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য এবং গৃহস্থালী পণ্য কিনছেন, ভোগ করছেন এবং ভোগের পিছনের অর্ন্তনিহিত কারণগুলো কি।
বিশ্বজুড়ে ৬০টি দেশে বিস্তৃত এ বাজার গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য কাজ করছে কান্তার ওয়ার্ল্ড প্যানেলের সাড়ে তিন হাজার কর্মীবাহিনী।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে খাদ্য, পানীয়, স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য্য এবং গৃহাস্থলী ক্যাটাগরির ২০০ অধিক পণ্যের বাজার সংক্রান্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে কান্তার ওয়ার্ল্ড প্যানেল প্রতি বছর এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।
২০১৫ সালে বাংলাদেশের ফুড ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয়বারের মতো ভোক্তা পছন্দের শীর্ষস্থানে রয়েছে ‘ফ্রেশ’। গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রায় প্রতি আড়াইটি পরিবারের মধ্যে একটি পরিবার কোনো না কোনো ফ্রেশ এর পণ্য ব্যবহার করছে। ফুড ক্যাটাগরিতে পরবর্তী অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে কোকোলা, মার্কস, ম্যাগি এবং তীর।
কান্তার ওয়ার্ল্ড প্যানেল এর ব্র্যান্ড ফুটপ্রিন্ট রিপোর্ট অনুযায়ি ২০১৫ সালে বাংলাদেশে ৫টি শীর্ষ স্থানীয় ফুড ব্র্যান্ড হলোঃ
| ২০১৫ র্যাংকিং | র্যাংক মুভমেন্ট | ব্র্যান্ড | কনজুমার রিচ পয়েন্ট | কনজুমার রিচ পয়েন্ট প্রবৃদ্ধি(%) ২০১৪ এবং ২০১৫ |
| ১ | +০ | ফ্রেশ | ৫০ | ২৩% |
| ২ | +০ | কোকোলা | ৪৫ | |১৪% |
| ৩ | +১ | মার্কস | ৩৫ | ১২% |
| ৪ | -১ | ম্যাগী | ৩২ | -৮% |
| ৫ | +০ | তীর | ২৮ | -৭% |
ফ্রেশ এর মতো এফএমসিজি ও হেলথ্ এন্ড বিউটি ক্যাটগরীতে লাক্স, বেভারেজে ইস্পাহানি এবং হোম কেয়ারে হুইল ও বাংলাদেশে ভোক্তা পছন্দের শীর্ষ স্থানে রয়েছে।
ব্র্যান্ড ফুটপ্রিন্ট র্যাংকিং এর গবেষণার জন্য বিশ্বের ৪৪টি দেশের ১ বিলিয়ন পরিবারকে যুক্ত করা হয়েছে যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৭৪% এবং বিশ্ব জিডিপি’র ৭৬%।
