তুরস্কে সরকার দখলের ঘোষণা দিয়েছে সামরিক বাহিনীর একাংশ। টেলিভিশনে দেয়া বিবৃতিতে তারা দাবি করে, একটি ‘শান্তি পরিষদ’ (peace council) এখন দেশটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
দেশে কার্ফিউ এবং সামরিক শাসন জারি করা হয়েছে বলেও ঘোষণা দেয় ‘শান্তি পরিষদ’। শনিবার ভোরের দিকে এমনটাই জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইস্তানবুলের সঙ্গে দেশের অন্য অংশের ব্রিজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং আঙ্কারার আকাশে নিচু দিয়ে বিমান উড়ছে। এর আগে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদ্রিম জানিয়েছিলেন, তুরস্কে সেনাবাহিনীর একটি অংশ বেআইনি অভিযান শুরু করেছে।
তিনি দাবি করেন, কোন অনুমতি ছাড়াই সেনাবাহিনীর সদস্যরা ওই অভিযান শুরু করেছে। তবে এটা কোন অভ্যুত্থান নয়। তুরস্ক সরকারে কোন পরিবর্তন হয়নি বলেও তিনি জানান।

তবে পরে সিএনএনকে মোবাইলে তিনি জানান, সরকার দখল করা হয়েছে। এজন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইসলামি নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনকে দায়ী করেন।
আর এই অভ্যুত্থান থামাতে জনগণকে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর জানায়, তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় গোলাগুলি হচ্ছে। ইস্তাম্বুলের পুলিশ সদর দপ্তর এলাকাতেও গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে ইস্তানবুল বিমানবন্দরের বাইরে ট্যাংক মোতায়েন করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাতকারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি সূত্র জানায়, এটা একটি পরিকল্পিত অভ্যুত্থান বলেই মনে হচ্ছে। কারণ তারা সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিয়েছে। খুব সহজে এর শেষ হবে বলে মনে হচ্ছে না।

এর আগে এনটিভি টেলিভিশনকে টেলিফোনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়ালদ্রিম বলছেন, কোন একটি চেষ্টার সম্ভাবনার বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। তবে এ ধরণের কোন চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। বিবিসি ও রয়টার্স
