রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, 'গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ১৬৬.৫৩ একর রেলভূমির অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়েছে।'
তিনি রবিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য বেগম হাজেরা খাতুনের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন। এসময় রেলপথ মন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশ রেলওয়ের অবৈধ দখলভুক্ত রেলভূমি উচ্ছেদের মাধ্যমে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।' তিনি বলেন, 'রেলওয়ের অবৈধ দখলভুক্ত মোট রেলভূমির পরিমাণ ৪,৩৯১.৩৯ একর। এরমধ্যে বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবৈধ দখলভুক্ত ভূমির পরিমাণ ৩,৪৬৯.০৫ একর এবং সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার অবৈধ দখলভুক্ত ভূমির পরিমাণ ৯২২.৩৪ একর।'
মন্ত্রী বলেন, 'উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে উদ্ধারকৃত রেলভূমি সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে প্রায় ৫.৫৬৪ কিঃমিঃ রেল ফেন্সিং নির্মাণ/স্থাপন করা হয়েছে।' তিনি বলেন, 'উদ্ধারকৃত ভূমিতে ৯ হাজারটি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ও বিভিন্ন প্রজাতির ২৩ হাজার ১৭৭টি শোভা বর্ধনকারী ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছে। একইভাবে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় ০.৭০২ কিঃমিঃ রেল ফেন্সিং নির্মাণ/স্থাপন করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত ভূমিতে ৩ হাজারটি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।'
বেগম হাজেরা খাতুনের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'অবৈধ দখলমুক্ত জমিতে পিপিপি'র আওতায় হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও শপিংমল নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।'
জাসদের নাজমুল হক প্রধানের এক প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, 'রেলওয়ের অব্যবহৃত বা পতিত জমির পরিমাণ ১০,৮৬৮.৭২ একর।'
