স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৬, ২১:৪১
ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের পর এবার গতি পেতে যাচ্ছে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের দুইটি প্রকল্প। কক্সবাজারের মহেশখালীতে এবং পটুয়াখালীর পায়রায় এই দুইটি টার্মিনাল নির্মিত হবে। এজন্য আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগে আগ্রহপত্র আহ্বান করেছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।
 
আরপিজিসিএল সূত্র জানায়, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানিতে জোর দিচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ ও ব্যবহার চুক্তির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় নতুন দুইটি স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে নিতে গত বৃহস্পতিবার আগ্রহপত্র চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
 
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করতে না পারায় এবং বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে গ্যাস উৎপাদন না হওয়ায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক চাহিদা মেটাতে পারছে না গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো। এ নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে হতাশা রয়েছে। তাই ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানির দিকে যাচ্ছে সরকার।
 
পেট্রোবাংলার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের চেয়ে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে সময় বেশী লাগে। স্থল টার্মিনাল নির্মাণে সাধারণত ৬ থেকে ৭ বছর সময় লাগে। আর ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণে সময় দরকার হয় সর্বোচ্চ দুই বছর। তবে নতুন দুইটি টার্মিনালের মধ্যে যে কোনো একটির নির্মাণকাজ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে সরকার।
 
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান ইসতিয়াক আহমদ বলেন, স্থলভিত্তিক টার্মিনালগুলোতে দৈনিক ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস রি-গ্যাসিফাই করে আবাসিক খাতে সরবরাহ করা যাবে।