মীর কাশেমের রিভিউ শুনানি সোমবার

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৬, ১৮:১১
জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলীর রিভিউ শুনানির জন্য আগামী ২৫ জুলাই সোমবার দিন ধার্য রয়েছে। 
 
রাষ্ট্রপক্ষের আনা আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বারকোর্ট বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকি গত ২১ জুন এ দিন ধার্য করেন। 
 
সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্টিত হবে বলে আদালত সূত্র জানায়।
 
গত ১৯ জুন আপিল বিভাগের ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন মীর কাশেম আলী। ওই আবেদনে ১৪টি আইনগত যুক্তি তুলে ধরে তাকে বেকসুর খালাস দেয়ার আবেদন জানানো হয়।
 
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে দেয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৬ জুন প্রকাশ করা হয়। মীর কাসেম আলীর আপিল মামলায় রায় প্রদানকারী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায়ে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে তা প্রকাশিত হয়। 
 
অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান। এটি আপিলে সপ্তম মামলা যার চূড়ান্ত রায় হলো।
 
নিয়ম অনুযায়ী আপিল বিভাগ থেকে মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় মামলাটির বিচারিক আদালত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এর ভিত্তিতে মীর কাসেম আলীর মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে এ পূর্ণাঙ্গ রায় কারাগারসহ সংশ্লিষ্ট জায়গায় পাঠায় ট্রাইব্যুনাল। কারাগারে মীর কাসেম আলীকে মৃত্যু পরোয়ানা ও রায় পড়ে শোনানো হয়। রায় অবগত হওয়ার পর রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন জানানোর জন্য ১৫ দিন সময় ধার্য রয়েছে। সে অনুযায়ী মীর কাসেম আলী রিভিউ করেছেন। 
 
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, রিভিউ শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ রায় বহালের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবে। তবে ফৌজদারী মামলায় রিভিউতে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ কম বলে তিনি জানান। 
 
গত ৮ মার্চ মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে সংক্ষিপ্ত রায় রায় ঘোষণা করেছিল আপিল বিভাগ। গত ৬ জুন পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। এর আগে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর মীর কাশেম আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনাল। 
মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের আদেশে ২০১২ সালের ১৭ জুন মীর কাশেম আলীকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
 
বাসস।