নবীগঞ্জে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুব উন্নয়ন আইসিটি মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিভিন্ন এলাকার তরুণ-তরুণীরা ওই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে না পারায় তাদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়া বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। ওই প্রশিক্ষণের ১২ জন শিক্ষিত বেকার তরুণ ও ১২ জন তরুণীর নামের তালিকা তৈরির জন্য দায়িত্ব দেন নবীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিগত পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত কাউন্সিলর রিজভী আহমেদ খালেদকে। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পর গোপনে তিনি তার আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠজনসহ তার আপন ব্যবসায়ী ভাইয়ের নাম দিয়ে তালিকা তৈরি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই তালিকায় অনেক শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। এজন্য অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নবীগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, এমপি’র সুপারিশ করা নামের তালিকা রিজভী আহমেদ খালেদের মাধ্যমে পেয়েছি। এ তালিকা তৈরিতে আমাদের কোনো হাত নেই।
এদিকে হবিগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া চৌধুরী কেয়ার ব্যবহূত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
