খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা জঙ্গিবাদের মদদদাতাদের খুঁজে বের করে প্রশাসন থেকে বিদায় করে দেওয়ার সময় এসেছে। রবিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মহাজোট আয়োজিত ‘সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও নৈরাজ্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র:উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নীতিমালা তৈরি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, স্কুল, কলেজ নির্মাণে যদি অনুমতি নিতে হয় তাহলে মাদ্রাসা নির্মাণের ক্ষেত্রেও অনুমতি নিতে হবে। তিনি বলেন, আদালত থেকে সন্ত্রাস দমন মামলায় অবশ্যই অনুমতি লাগবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। আর বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে অনুমতি হচ্ছে না। জঙ্গিদের বিচার হচ্ছে না। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইএস ও তালেবানের নামে সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। কিন্তু অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থা ভিন্ন। এ দেশে যেসব জঙ্গি ধরা পড়েছে, দেখা গেছে তারা আগে জামায়াত করত। ১৯৭১ সালে তারা যে পদ্ধতিতে হত্যা করত, এখনো সে পদ্ধতিতেই হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসলাম শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইসলাম সম্পর্কে ঠিকভাবে জানে না বলেই ছেলেমেয়েরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। তাই তাদের ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা জানানো উচিত। এছাড়া ইংরেজি, মাদ্রাসা ও বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্থার সমন্বয় করে একটি অভিন্ন শিক্ষাপদ্ধতি সরকার চালু করবে বলেও জানান তিনি।
