বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-১৯৮৫ পরিমার্জন করে নতুনভাবে বিধান করে রবিবার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বিল-২০১৬ স্থিরীকৃত আকারে পাস হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। বিলে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশের অধীন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বহাল রাখার বিধান করা হয়।
বিলে কর্তৃপক্ষের কার্যালয়, পরিচালনা ও প্রশাসন, কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও কার্যাবলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, বিশেষজ্ঞ কমিটি, নির্বাহী পরিচালক, কর্তৃপক্ষের তহবিল, বাজেট, হিসাব রক্ষণ, প্রতিবেদন, কমিটি গঠনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধান করা হয়।
বিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্যের বোর্ড গঠনের বিধান করা হয়। বিলে ভূমি অধিগ্রহণ, প্রবেশ, বন্ধকরণ, প্রতিরোধ, বাজেয়াপ্ত-করণ, দখল প্রতিরোধ, যানবাহন থামানো ও তল্লাশি, কোম্পানি গঠন, ইজারা বিষয়ে বিধান করা হয়েছে।
এছাড়া বিলে বিধি লঙ্ঘন জনিত অপরাধে সুনির্দিষ্ট দণ্ড প্রদানের বিধান করা হয়। বিলে বিদ্যমান বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, নূরুল ইসলাম ওমর, কাজী ফিরোজ রশীদ, নুরুল ইসলাম মিলন, সেলিম উদ্দিন, বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী, স্বতন্ত্র সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী ও আব্দুল মতিন বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে একটি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। বাকী প্রস্তাবগুলো কন্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়।
