পুলিশ ও বাদীর তাড়া খেয়ে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কুমার নদীতে ঝাঁপ দিয়ে দুইদিন ধরে নিখোঁজ তুচ্ছ ঘটনার মামলার আসামি জামাল মুন্সীর (৫০) লাশ সোমবার সকালে উদ্ধার হয়েছে।
শনিবার দুপুরে মাদারীপুরের উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের গোয়ালবাথান গ্রামে একটি সংঘর্ষের মামলার ১৩ নং আসামি জামাল মুন্সী পুলিশ ও বাদীর তাড়া খেয়ে বাড়ির পাশে কুমার নদীতে ঝাঁপ দেয়ার পর নিখোঁজ হন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১২ জুলাই উপজেলার বিদ্যানন্দী গ্রামে বাচ্চু মাতুব্বরের ভাগ্নে সাকিব মাতুব্বরের (১২) পায়ে জোক লাগে । এর চিকিৎসা করা নিয়ে বাচ্চু মাতুব্বর ও সানো মোল্যার মধ্যে বাক্বিতণ্ডার এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও পরে সংঘর্ষ হয় । এ সংঘর্ষে দুই থেকে তিনজন আহত হন । এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাচ্চু মাতুব্বর বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ১৭ জনকে আসামি করে রাজৈর থানায় মামলা করেন । ওই মামলার ১৩ নং আসামি ছিলেন জামাল মুন্সী ।
শনিবার দুপুরে পুলিশ ও বাদী পক্ষের লোকজন ওই মামলার দুই আসামিকে ধরতে গোয়ালবাথান গ্রামে নদীর পাড়ে তাড়া করে । এ সময় আসামি জামাল মুন্সী ও সিরাজুল হক মুন্সী নিজেদেরকে রক্ষা করতে বাড়ির পাশে কুমার নদীতে ঝাঁপ দেয় । পরে সিরাজুল হক মুন্সী সাতার কেটে নদীর অপর প্রান্তে উঠলেও জামাল মুন্সী পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় । সোমবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেড়ারবাজার এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
টেকেরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
