স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যার দায়ে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার এক ব্যক্তিতে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এস এম জিল্লুর রহমান আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় দেয়।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, পরকীরার জেরে মঠবাড়িয়ার পাঠাকাটা গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর হোসেনের সঙ্গে স্ত্রীর বিরোধ হয়। এর জেরে ২০০৮ সালের ২২ জুন রাতে আলমগীর তার স্ত্রী হাফিজা বেগম (৩৫), ছেলে আশরাফুল (১১) ও মেয়ে জামিলাকে (৩) ঘুমের ওষুধ খাওয়ান। পরে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। ঘটনার আড়াল করার জন্য আলমগীর ঐ রাতেই তার শ্যালক আবুল বাশারকে ফোন করে বলেন ডাকতদের হামলায় স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে নিহত হওয়ার কথা বলেন।
এই ঘটনায় আবুল বাশার মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাহবুবুর রহমান ২০০৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আলমগীরকে আসামি করে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি খান মো. আলাউদ্দিন বলেন, আলমগীরকে পুলিশ ২০০৮ সালের ২৪ জুন গ্রেফতার করলেও ২০১৬ সালে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে তিনি পলাতক হন।
আসমির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল।
