রিও অলিম্পিকে কোকা-কোলার দ্যাটসগোল্ড ক্যাম্পেইন

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০১৬, ২০:৩০
২০১৬- রিও ২০১৬ অলিম্পিক গেমস এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে কোকা-কোলার স্বর্ণ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে অভিজাত মঞ্চে স্বর্ণ প্রাপ্তিই নয় বরং বিশেষ এই অংশিদারিত্বের ৮৮তম আসরে কোকা-কোলা বিশ্বব্যাপী ভক্তদের সাথে ভিন্ন আঙ্গিকে উদযাপন করার প্রস্তুতি নিয়েছে, যা স্বর্ণ অর্জণের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।
 
কোকা-কোলা কোম্পানির গ্লোবাল ক্রিয়েটিভের ভাইস প্রেসিডেন্ট রোডোলফ এচেভেরিয়া বলেছেন, ‘স্বর্ণ পদক ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাফল্যের প্রতীক। কোকা-কোলা বিশ্বাস করে স্বর্ণ পদক প্রাপ্তির ঊচ্ছ্বাস এবং উদযাপন মঞ্চের বাইরেও ঘটতে পারে। বিশ্বের প্রতিটি মুহূর্তই হতে পারে উদযাপনের মঞ্চ। কোকা-কোলার স্বর্ণ অজর্ণকে কেবলমাত্র তুলনা করা যায় কোকা-কোলা পানের আনন্দদায়ক, সতেজ ও চনমনে অনুভূতিরই সাথে। রিও ডি জেনিরোসহ বিশ্বব্যাপী দ্যাটসগোল্ড ক্যাম্পেইন নিয়ে আসার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
 
#দ্যাটসগোল্ড ক্যাম্পেইনে থাকছে বেশ কিছু চিত্তাকর্ষক কার্যক্রম: 
গ্লোবাল টেলিভিশন ও প্রিন্ট ক্যাম্পেইনঃ কোকা-কোলার #দ্যাটসগোল্ড ক্যাম্পেইনের মূল আকর্ষণ হচ্ছে বিশ্বব্যাপী টেলিভিশন কমার্শিয়াল এবং আউট অফ হোম ক্যাম্পেইন।
 
এখানে দেখানো হবে আগের অলিম্পিকের বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলোয়াড়দের স্বর্ণ জয়ের কিছু মুহূর্ত। এই টিভিসি অলিম্পিকের মঞ্চে এবং মঞ্চের বাহিরে সকল স্বর্ণ উদযাপনের মুহূর্ত গুলোকে নিয়ে তৈরী করা হয়েছে। 
 
#টর্চ রিলেঃ রিও ২০১৬ অলিম্পিকে ৯৫ দিন ব্যাপী টর্চ রিলের অংশীদার হচ্ছে কোকা-কোলা। রিলেতে ১২ হাজার মানুষ ৩২০টি শহর ভ্রমন করবে, যেখানে সড়ক পথে ২০ হাজার কি.মি. এবং আকাশ পথে ১৬ হাজার কি.মি. পাড়ি দিয়ে মশালটি রিও তে পৌছাবে। কোকা-কোলা প্রায় ২ হাজার মশাল বহনকারীকে ব্রাজিলের দুর্গম জায়গায় পৌঁছাতে সাহায্য করবে। এই মশাল বহনকারীদের বাছাই করা হয়েছে তাদের নিজেদের কমিউনিটিতে পরোপকার ও ইতিবাচক মানসিকতার উপড় ভিত্তি করে। 
 
# কোকা-কোলা অলিম্পিক স্টেশনঃ অলিম্পিক গেমস এর ইতিহাসে প্রথমবারের মত কোকা-কোলা কিশোর-কিশোরী জন্য রাখছে ‘হ্যাং আউট’ যার মাধ্যমে তারা অলিম্পিক গেমসে নিজেদের ইচ্ছা মত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে। এর মধ্যে রয়েছে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি থেকে শুরু করে তাদের আইডলদের সাথে হেডলাইন তৈরির সুযোগ। এছাড়াও খেলোয়াড়দের স্বর্ণ জয়ের মুহূর্তে আরও থাকছেন সঙ্গীত শিল্পী এবং বিশ্ব বরেণ্য ব্যক্তিত্বগণ যারা কোকাকোলার প্রাণ-উচ্ছল স্বাদকে সঙ্গি করে উন্ম্চেন করবেন দৃঢ় স্যোশাল নেটওয়ার্ক।
 
# দ্যাটসগোল্ড এক্সপেরিয়েন্সঃ অলিম্পিক পার্কের ভেতরে কোকাকোলা এক দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা তৈরি করতে যাচ্ছে, যেখানে কোকাকোলা এবং অলিম্পিক গেমস এর দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্ব এবং ক্ষুদ্র ও খুচরা বাণিজ্যের সমৃদ্ধিকে স্মরনিয় করে রাখতে এই পার্কে থাকছে স্বর্ণ ও এলুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি কোকা-কোলার বোতল এবং অলিম্পিকের মশাল যাত্রা উদযাপনের ছবি। 
 
# কোলেটিভোঃ রিও ২০১৬ অলিম্পিক গেমস কোকা-কোলার কোলেটিভো প্রোজেক্টকে কোলেটিভো ইভেন্টের মাধ্যমে আরও সামনে এগিয়ে যেতে দেখা যাবে। কোলেটিভো ইভেন্ট হচ্ছে রিওর তরুণদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের কমিউনিটির জন্য নিজেকে তৈরী করার সুযোগ। কোকা-কোলার এই উদ্যোগের আওতায় থাকছে অর্ভ্যথনা, ভেন্যু অপারেশন ও পরীক্ষামূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ। এই ইভেন্ট তাদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং নিজেদের শহরের রিও ২০১৬ অলিম্পিক গেমসে অংশ নেয়ার সুযোগ করে দিবে।
 
রিও ২০১৬ অলিম্পিক গেমসের মাধ্যমে কোকা-কোলা কোম্পানি, আইওসি এবং অলিম্পিক মুভমেন্ট এর  ৮৮তম বছরপূর্তি হচ্ছে।  কোকা-কোলা কোম্পানির গ্লোবাল ক্রিয়েটিভের ভাইস প্রেসিডেন্ট রোডোলফ এচেভেরিয়া বলেন, ‘১৯২৮ সাল থেকে অলিম্পিক স্পন্সর হিসেবে, আমরা বিশ্বাস করি অলিম্পিক গেমস বাধা-বিভেদ ভূলে মানুষকে খেলাধুলার মাধ্যমে একই ছাদের নিচে নিয়ে আসে। আমরা দেখেছি আয়োজিত জাতির কমিউনিটিতে অলিম্পিক গেমস ইতিবাচক এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে যায়। অলিম্পিকের মূল মন্ত্র শ্রেষ্ঠত্ব, বন্ধুত্ব এবং সম্মান। সকল খেলোয়াড়, ভক্ত এবং কমিউনিটির জন্য অলিম্পিককে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করতে পেরে আমরা গর্বিত।’