শিক্ষক লাঞ্ছনা: পুলিশের প্রতিবেদনের বিষয়ে আদেশ ১০ আগস্ট

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৬, ১৪:০০
নারায়ণগঞ্জের স্কুল শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠ-বস করানোর ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সম্পৃক্ততা নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
আজ রবিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ ১০ আগস্ট এ বিষয়ে আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছে। 
 
ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে গত ১৩ মে বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটে। 
 
অভিযোগ ওঠে, স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের নির্দেশে শিক্ষক শ্যামল কান্তিকে কান ধরে ওঠ-বস করানো হয়।
 
ঐ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে। পাশাপাশি কী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানাতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেয়। ঐ নির্দেশের পরই পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে বলা হয় শিক্ষককে কান ধরে ওঠ-বস করানোর ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় পুলিশ জিডি করে। সাধারণ ডায়েরির প্রেক্ষিতে চলমান তদন্তের অগ্রগতি জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে পুলিশ সুপার ও বন্দর থানার ওসিকে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।
 
 
ইত্তেফাক/কেকে/এমআই