আরো একবার ভক্তদের হতাশ করলো মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আশা জাগিয়েও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেলোনা সাদা-কালোরা।
রবিবার ময়মনসিংহের রফিকউদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে অধিনায়ক তৌহিদুল ইসলামের প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তের গোলে ম্যাচের ৭২ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থাকলেও বিজেএমসির মুকুলের গোলে জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। ফলে ম্যাচ শেষে ১-১ এ সমতা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় জসিমউদ্দিন জোসির শিষ্যদের।
এটি মোহামেডান ও টিম বিজেএমসির তৃতীয় ড্র। রবিবার প্রিমিয়ার লিগের এবারের মৌসুমের প্রথম জয় পেতে মুখোমুখি হয় পয়েন্ট টেবিলের ৯ নম্বর দল টিম বিজেএমসি ও ১০ নম্বরে থাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।
তবে কিক-অফের পর থেকেই স্বরূপে খুঁজে পাওয়া যায়নি দেশের ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে। অগোছালো আক্রমণ, আক্রমণভাগের ফিনিশিং ব্যর্থতা ও ভুল পাস হতাশায় ডুবিয়েছে সাদা-কালো সমর্থকদের।
পক্ষান্তরে, প্রতিপক্ষ টিম বিজেএমসি ছিল বেশ গোছালো। ছোট ছোট পাস ও গতিময় খেলা উপহার দিয়ে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে উল্লাসের খোরাক যুগিয়েছে তারা।
এমনই গতিময় খেলার ধারাবাহিকতায় নয় মিনিটে মোহামেডান গোলবারের ডান দিক থেকে স্যামসন ইলিয়াসু ক্রস তুলেছিলেন কিন্তু সতীর্থ সোহেল রানা তা কাজে লাগাতে পারেননি।
চার মিনিট পরে আবারো মোহামেডানের রক্ষণভাগে হানা দেন ইলিয়াসু। মাঝমাঠ থেকে একাই বল নিয়ে পোষ্টের বাঁ দিক থেকে কাটব্যাক দিয়েছিলেন সোহেল রানাকে। এবারও ব্যর্থ হলেন সোহেল। কিছুটা নিচু হয়ে আসা বলটিকে পারলেন না মাথার ছোঁয়ায় জালে চুমু খাওয়াতে।
টিম বিজেএমসির ধারালো আক্রমণের মুখে ম্লান মোহামেডানকে অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে। তবে যেন তেন কোন আক্রমণ নয় একেবারে গোলসূচক।
মাঝমাঠ থেকে অধিনায়ক তৌহিদুল আলম সবুজ একাই বিজেএমসি গোলবারের ডান দিয়ে বল নিয়ে গিয়ে গোলরক্ষক হিমেলের অবস্থান দেখে জোড়ালোভাবে কোনাকুনি প্লেসিং শটে জালে বল ঠেলে দিলে ১-০ তে এগিয়ে যায় মোহামেডান। ফলে পুরো প্রথমার্ধ ভালো খেলেও পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় টিম বিজেএমসি।
বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় বিজেএমসি। ৭৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আব্দুল্লাহ পারভেজের কর্ণার থেকে জোড়ালো হেডে বিজেএমসিকে ১-১ এ সমতায় ফেরান।
সমতায় ফেরার পর ব্যবধান বাড়াতে দু’দলই বেশ কয়েকটি আক্রমণ রচনা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারলে সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়।
মাঝমাঠ থেকে অধিনায়ক তৌহিদুল আলম সবুজ একাই বিজেএমসি গোলবারের ডান দিয়ে বল নিয়ে গিয়ে গোলরক্ষক হিমেলের অবস্থান দেখে জোড়ালোভাবে কোনাকুনি প্লেসিং শটে জালে বল ঠেলে দিলে ১-০ তে এগিয়ে যায় মোহামেডান। ফলে পুরো প্রথমার্ধ ভালো খেলেও পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় টিম বিজেএমসি।
বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়ায় বিজেএমসি। ৭৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আব্দুল্লাহ পারভেজের কর্ণার থেকে জোড়ালো হেডে বিজেএমসিকে ১-১ এ সমতায় ফেরান।
সমতায় ফেরার পর ব্যবধান বাড়াতে দু’দলই বেশ কয়েকটি আক্রমণ রচনা করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারলে সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়।
