শিশু আইনের অস্পষ্টতা দূরীকরনের রায় রবিবার

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৬, ১৮:২৭
 
শিশু আইনের অস্পষ্টতা দূরীকরনের প্রশ্নে আগামী রবিবার রায় দেবে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার রায়ের জন্য ওই দিন ধার্য করে দেন।
 
শিশু ধর্ষণের চারটি মামলায় প্রাপ্তবয়ষ্ক আসামির জামিন আবেদন শিশু আদালতে শুনানি করায় গত মার্চ মাসে হাইকোর্ট রুল জারি করেছিলো। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর ও কক্সবাজারের শিশু আদালতের বিচারকদের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে আদালত। হাইকোর্টের ওই আদেশের পর সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকরা তাদের ব্যাখ্যা দাখিল করেন। ওই ব্যাখ্যা দাখিলের পর আজ হাইকোর্টে রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
 
শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, ২০১৩ সালে প্রণীত শিশু আইনে বলা হয়েছে এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধের শিকার বা ভিকটিম এবং সাক্ষী শিশু হলে ওই মামলার বিচার শিশু আদালতে হবে। কিন্তু আসামি প্রাপ্তবয়ষ্ক হলে এবং অপরাধ যদি গুরুতর অপরাধ বিশেষ করে হত্যা হয় তাহলে এর বিচার কোথায় হবে সেটি আইনে বলা নেই? যদিও প্রাপ্তবয়ষ্ক আসামির বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হয়ে থাকে। কিন্তু এটি আইনে স্পষ্ট করে দেয়ার দরকার ছিলো। কারণ নারী নির্যাতন আইনে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু শিশু আইনে তা নেই। ফলে প্রাপ্তবয়ষ্ক আসামির বিচার কোথায় হবে এটা এই আইনে উল্লেখ করে দিলেই এই অস্পষ্টতা দূর হত। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই অস্পষ্টতা দূরীকরনের জন্য আইনটি সংশোধন হওয়া দরকার। হাইকোর্ট আইন সংশোধনের জন্য আইন, স্বরাষ্ট্র ও জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিতে পারে। শুনানিকালে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ একেএম মনিরুজ্জামান কবির ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শহীদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।