সতীর্থদের রান উৎসবের মাঝে নিজে একটি সেঞ্চুরি বাড়িয়ে নিতে পারেননি মার্টিন গাপটিল। তবে সিরিজের শেষ দিনটা রাঙালেন তিনিই। ব্যাটিংয়ের সুযোগ আর ছিল না, তবে বোলিং তো ছিল! অফ স্পিনটা করেন তিনি কালেভদ্রে। অনিয়মিত সেই বোলার গাপটিলই নিলেন ৩ উইকেট।
শেষ দিন লেগ স্পিনার ইশ সোধিও ৩টি উইকেট সংগ্রহ করেন। শেষ দিনের সকালে খানিকটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও পরে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় টেস্টে নিউ জিল্যান্ডের জয় ২৫৪ রানে।
বুলাওয়ায়োতে দুই টেস্টেই বড় জয়ে কিউরা জিতে নিল সিরিজও।
ড্র করতে শেষ দিনে জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল কঠিন লড়াই, নিউ জিল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৭ উইকেট। আগের টেস্টে শেষ ইনিংসে শন উইলিয়ামসের ব্যাটে দারুণ লড়াই করেছিল জিম্বাবুয়ে। এই টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন ক্রেইগ আরভিন। বুধবার শেষ দিনে এই দুজনকেই ফেরান গাপটিল।
নাইটওয়াচম্যান ডোনাল্ড টিরিপানোকে নিয়ে সকালে ৩৯ রানের জুটি গড়েছিলেন আরভিন। টিরিপানোকে এলবিডব্লিউ করে এই জুটি ভাঙেন মিচেল স্যান্টনার। খানিক পর বল হাতে নিয়েই গাপটিল ফিরিয়ে দেন আরভিনকে। আম্পায়ার পল রাইফেলের দেয়া দুটি সিদ্ধান্তই অবশ্য ছিল সংশয়পূর্ণ।
গাপটিল তাতে আপত্তি করবেন কেন! দ্রুত তুলে নেন উইলিয়ামস ও অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমারকে। আরেক পাশে সোধি আঘাত হানতে থাকেন নিয়মিত। ৩৫ রানের মধ্যে শেষ ৭ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।
দুই ইনিংসে ১১৩ ও অপরাজিত ৬৮ রানের পাশাপাশি নেতৃত্ব দিয়ে ম্যাচ সেরা উইলিয়ামসন। ২ টেস্টে ১১ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা বাঁহাতি পেসার নিল ওয়াগনার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৫৮২/৪ (ডি.)
জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংস: ৩৬২
নিউ জিল্যান্ড ২য় ইনিংস: ১৬৬/২ (ডি.)
জিম্বাবুয়ে ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৩৮৭) ৬৮.৪ ওভারে ১৩২ (মায়োয়ো ৩৫, চিবাবা ২১, রাজা ০, টিরিপানো ২২, আরভিন ২৭, মাসভাউরে ১১, উইলিয়ামস ১১, মুর ১, ক্রেমার ১, নিয়ুম্বু ০*, চিনুইয়া ০; সাউদি ১/৩৫, ওয়াগনার ১/২৩, স্যান্টনার ১/১৫, সোধি ৩/১৯, গাপটিল ৩/১১)।
ফল: নিউ জিল্যান্ড ২৫৪ রানে জয়ী
সিরিজ: ২ ম্যাচ সিরিজ নিউ জিল্যান্ড ২-০তে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: কেন উইলিয়ামসন
ম্যান অব দা সিরিজ: নিল ওয়াগনার
