অলিম্পিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জিমন্যাস্টের মূল ভল্টে নামছেন বাঙালি মেয়ে দীপা কর্মকার। তার দিকে তাকিয়ে পুরো ভারতবাসী। ১৪ আগস্ট দিনটাও ভারতবাসীর জন্য বিশেষ দিন। তাদের স্বাধীনতা দিবসের আগের দিনতো বটেই সঙ্গে দেশটির ক্রীড়াঙ্গনেও বিশেষ অর্থবহুল দিন।
১৯৯০ সালের ১৪ আগস্ট ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্দী শচীন টেন্ডুলকার জীবনের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিটা করেছিলেন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে।
এবারের ১৪ আগস্ট কি ভারতের অলিম্পিক ইতিহাসে আরেকটি অর্জন আসবে। নতুন ইতিহাস রচনা করতেই জিমন্যাস্টিক ফ্লোরে পদক জেতার জন্য নামছেন দীপা কর্মকার। জিনিউজ ও আনন্দবাজার
আগরতলার এই বাঙালি জিমন্যাস্টের দিকেই তাকিয়ে ভারতবাসী। এটাই তাঁর প্রথম অলিম্পিক। তার উপর পদক জয়ের হাতছানি। রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১২টায় পদক জয়ের লক্ষ্যে নামবেন দীপা। অলিম্পিকের ইতিহাসে ভারতের প্রথম জিমন্যাস্টিক্স পদকের জন্য দেশবাসী তাকিয়ে আছে দীপার দিকে। এই চাপে নার্ভাস নন দীপা।
দীপা বলেন, ‘দেখুন, আমি কোচের কাছে যা শিখেছি, সেটা ঠিকঠাক করতে পারলেই পদক পাব। সেই বিশ্বাস আমার আছে। এত দূর এসেছি, পদক না নিয়ে ফিরতে চাই না। পাব কি না জানি না। তবে সেরাটা দেব।’
রিওতে চূড়ান্ত যুদ্ধে নামার এক দিন আগে সেই দীপাকে দেখে মনে হচ্ছিল, পারলে এখনই নেমে পড়েন টুর্নামেন্টে।তিনি বলছিলেন, ‘প্র্যাকটিস থেকে উঠতেই ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে, পয়েন্টটা আরও একটু বাড়াতে পারলেই তো পদক!’
