নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ পর্যায়ে। এ মামলায় মঙ্গলবার পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এ নিয়ে মামলাটিতে ১শ ২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১শ ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলো।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা এগারোটা পর্যন্ত তৎকালীন সময়ে দেশের বিভিন্ন থানায় পুলিশ বিভাগে কর্মরত এস আই আবদুল আউয়াল, এস আই আবুল খায়ের, এস আই মহিবুল্লাহ, এস আই হারুন মিয়া এবং এএসআই আতাউর রহমানের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ আগামী ২২ আগস্ট ধার্য করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন আরো জানান, মামলার ১২৭ জন সাক্ষির মধ্যে ১২ জন এমন সাক্ষি রয়েছেন, যারা হয় বিদেশে চলে গেছেন বা মারা গেছেন। ১০৫ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। বাকী রয়েছেন আরো ১০ জন। যেসব সাক্ষির সাক্ষ্য এ মামলায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাদের সাক্ষ্য এর মধ্যে নেয়া হয়েছে। তাই আমরা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ পর্যায়ে বলতে পারি।
এর আগে সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই মামলার প্রধান আসামী নূর হোসেন ও র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তা, লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, কমান্ডার এম এম রানা ও মেজর আরিফ হোসেনসহ ২৩ আসামীকে আদালতে হাজির করা হয়।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। বাসস।
