রফতানিমুখী গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্পের জন্য নগদ সহায়তা বা প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন সংশিষ্ট শিল্পখাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলেন, এ শিল্পখাত থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি হলেও এখাতে কোনো নগদ প্রণোদনা দেয়া হয়নি। ২০২১ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্পখাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং শিল্পে নগদ প্রণোদনাসহ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা জোরদার করা জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, এ খাতে প্রণোদনা অন্যান্য খাতের তুলনায় দ্বিগুণ হওয়া উচিত। এখাতটিই দর্জির দুর্নাম থেকে তৈরি পোশাককে রফতানিমুখী শিল্পের মর্যাদা দিয়েছে। অথচ এক্সেসরিজ খাতটি কোনো ধরনের প্রণোদনার আওতায় নেই। বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে পরামর্শ করবেন বলে জানান শিল্পমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব উপায়ে গাসেন্টস্ অ্যাক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্য উত্পাদন’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ গার্মেন্টস্ অ্যাক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। বিজিএপিএমইএ’র প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল কাদের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। এতে পৃথকভাবে দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. ফিরোজ ইকবাল ফারুকী এবং সংগঠনের উপদেষ্টা রাফেজ আলম চৌধুরী।
ইত্তেফাক/এএম।
