সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পাঁচটি মূল্যবান জীবন্ত শিরিস চটকা গাছ মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ দেখিয়ে কেটে ফেলার সময় জনগণের প্রতিরোধের মুখে তা পণ্ড হয়ে গেছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত জেলা পরিষদ সার্ভেয়ারসহ অন্যান্যরা পালিয়ে যান।
জেলা পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে শুক্রবার অফিস ছুটির দিনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সকালে এই গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছিল। জনগণ বাধা দেয়ার আগেই গাছের ডালপালা সব কেটে ফেলা হয়। গাছগুলোর মূল্য আনুমানিক চার লাখ টাকা। সড়কের ধারে নির্মাণাধীন মাকের্টের মালিক পক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময় জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার হাসানুজ্জামান অফিসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এই গাছগুলো কাটার ব্যবস্থা করেন বলে জানা গেছে।
জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার হাসানুজ্জামান ঘুষ গ্রহণের কথা অস্বীকার করে বলেন, গাছগুলো বিপদজ্জনক হওয়ায় সেগুলো কেটে ফেলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। জেলা পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষেই সড়কের ধারের এসব গাছ কাটা হচ্ছিল, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুবিধার জন্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো বলেন, জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরে গাছ কাটা বন্ধ করে দেয়া হয়।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
