মৌসুমের শুরুতেই মেসি-সুয়ারেজ জাদুতে জয় বার্সার

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৬, ০৭:৪১
 
মৌসুমের শুরুতেই মেসি সুয়ারেজ জাদুতে রিয়াল বেতিসকে ৬-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা বার্সেলোনা। দলের জয়ের পথে পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা মেসি করেন জোড়া গোল। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে হ্যাটট্রিক করেন গতবারের সর্বোচ্চ গোলদাতা সুয়ারেজ। বার্সেলোনার প্রথম গোলটি মিডফিল্ডার আরদা তুরানের।
 
শনিবার ক্যাম্প ন্যুয়ে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ডান দিক থেকে মেসির ক্রস খুঁজে পায় জর্দি আলবাকে। তার কাছ থেকে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় বল জালে পাঠান তুরান। চার মিনিট পর প্রায় একই রকম আরেকটি গোল পেতে যাচ্ছিল স্বাগতিকরা। সেবার ঠিক মতো শট নিতে পারেননি তুরান।
 
২১তম মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে সমতা ফেরায় বেতিস। জোরাল ফ্রি-কিক থেকে বল জালে পাঠান রুবেন কাস্ত্রো। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে বলে হাত লাগালেও ঠেকাতে পারেননি গোলরক্ষক ক্লাওদিও ব্রাভো।
 
৩০তম মিনিটে মেসির জোরাল শট ক্রসবারে লাগলে নষ্ট হয় আরেকটি দারুণ সুযোগ। সাত মিনিট পর ২০১৭-১৬ মৌসুমে লিগে গোলের খাতা খোলেন আর্জেন্টাইন তারকা। ডি-বক্সের বাইরে একটু জায়গা পেয়েই ডিফেন্ডারদের মাঝ দিয়ে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে দলকে এগিয়ে নেন তিনি।
 
৪২তম মিনিটে অসাধারণ এক গোলে ব্যবধান বাড়ান সুয়ারেজ। সের্হি রবের্তোর কাছ থেকে বল পেয়ে প্রথম স্পর্শে কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান তিনি।
 
৫৬তম মিনিটে বোঝাপড়ার অসাধারণ নিদর্শন রেখে ব্যবধান বাড়ায় বার্সেলোনা। প্রতি আক্রমণে মাঝ মাঠে বল পেয়ে ডি-বক্সের দিকে এগিয়ে তুরানকে দেন মেসি। দ্রুত ভেতরে বাঁ দিকে ঢুকে পড়া মেসিকে বল বাড়ান তুরান। মেসির আড়াআড়ি পাস যায় সুয়ারেজের কাছে। ফাঁকা জালে গোল করতে কোনো সমস্যাই হয়নি উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকারের।
 
দুই মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে যান মেসি। প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে তাকে দেন তুরান। কিছুটা এগিয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন অবসর ভেঙে আবার আর্জেন্টিনা দলে ফেরা মেসি।
 
৮১তম মিনিটে মেসি নিজে ফ্রি-কিক না নিয়ে মারতে দেন সুয়ারেজকে। দারুণ এক বাঁকানো শটে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সুয়ারেজ। সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে বার্সেলোনার হয়ে এটাই সুয়ারেজের প্রথম গোল।
 
৮৪তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান কমান কাস্ত্রো।
 
শেষের দিকে হ্যাটট্রিকের সুযোগ আসে মেসির সামনেও। কিন্তু ডি-বক্সের ভেতর থেকে শট প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লাগায় গোল পাননি বার্সেলোনার এই তারকা।
 
তবে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের অভিযানটা দুর্দান্ত ভাবেই শুরু হলো লুইস এনরিকের দল।