২০১৬-১৭ মৌসুমে বিশ্বে চাল উৎপাদন কমার পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ইআরএস)। আফগানিস্তান, বলিভিয়া ও বাংলাদেশে এ সময় পণ্যটির উৎপাদন ব্যাহত হলেও ইরানে বাড়তির দিকে থাকবে।
২০১৬-১৭ মৌসুমে বিশ্বব্যাপী ৪৮ কোটি ১১ লাখ টন চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এর আগের মাসে দেয়া পূর্বাভাসের চেয়ে যা দেড় লাখ টন কম। এদিকে গত মাসের তুলনায় বৈশ্বিক চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস কমানো হলেও তা ২০১৫-১৬ মৌসুমের চেয়ে বেশি। ২০১৫-১৬ মৌসুমে বিশ্বব্যাপী ৪৭ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার টন চাল উৎপাদন হয়েছে। ইআরএস ২০১৬-১৭ মৌসুমে চীনে ১৪ কোটি ৬৫ লাখ টন চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস দিয়েছে। এ সময় ভারতে ১০ কোটি ৫০ লাখ টন, ইন্দোনেশিয়ায় তিন কোটি ৬৬ লাখ, বাংলাদেশে তিন কোটি ৪৫ লাখ ১৫ হাজার ও ভিয়েতনামে ২ কোটি ৮৫ লাখ টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে উৎপাদন কমলেও ২০১৬-১৭ মৌসুম শেষে বৈশ্বিক চাল মজুদের সম্ভাবনা রয়েছে ১১ কোটি ৩৮ লাখ টন, যা জুলাইয়ে দেয়া পূর্বাভাসের চেয়ে ৬৫ লাখ টন বেশি। ২০১৭ সালে ভারত থেকে চাল রফতানি বাড়লেও ভিয়েতনাম থেকে কমবে। সরবরাহের চেয়ে চাহিদা কমায় গত মাস থেকে বৈশ্বিক চালের দর কমতির দিকে রয়েছে বলে ইআরএস তথ্যে জানা গেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত চালের দাম অব্যাহতভাবে কমছে। ইআরএস চলতি মাসের প্রতিবেদনে ২০১৬-১৭ মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাল সরবরাহ কমার পূর্বাভাস দিয়েছে।
ইত্তেফাক/এএসএস
