প্রতিবছর বাংলাদেশ ৩০ লাখ লোক কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে। বিশাল এ শ্রম বাজারের সুযোগ নিয়ে চীনের উদ্যোক্তাদের আরো বেশি হারে বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) সভাপতি হোসেন খালেদ। তিনি বলেন, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে ১০০টি নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যেখানে চীনের উদ্যোক্তাবৃন্দ তৈরি পোষাক, টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যাল, পাট ও পাটজাত পণ্য, সিরামিক চামড়া, তথ্য-প্রযুক্তি ও পাদুকা শিল্পে বিনিয়োগের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
ঢাকা চেম্বার এবং বাংলাদেশ সফররত চীনের গুয়াংডন প্রদেশের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মধ্যকার মতবিনিময় সভা মঙ্গলবার ডিসিসিআই সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। চায়না কাউন্সিল ফর দি প্রমোশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অফ ঝাওকিং সিটি-এর ডিরেক্টর জেনারেল লিউ ফাং প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করেন।
চীনের সাথে বাংলাদেশের প্রতি বছর বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মিত হচ্ছে এবং জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়, যেখানে চীন প্রথম অবস্থানে রয়েছে। এ সুযোগে তিনি জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
প্রতিনিধিদলের নেতা লিউ ফাং বলেন, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরোও সম্প্রসারিত হবে বলে, তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, চলতি বছরের অক্টোবরে চীনের গুয়াংডন প্রদেশে “মেরিটাইম সিল্ক রোড ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো” অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ঢাকা চেম্বারের সদস্যদের পাশপাশি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ করার আহবান জানান, যার মাধ্যমে চীনের বাজারে আরো বেশি বাংলাদেশি পণ্য রফতানির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, পরিচালক আসিফ এ চৌধুরী, সেলিম আকতার খান, প্রাক্তন সহ-সভাপতি হোসেন এ সিকদার, এম আবু হোরায়রা, প্রাক্তন পরিচালক এম বশির উল্ল্যাহ ভূঁইয়্যা এবং ডিসিসিআই মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/এএম।
