ফারাক্কার বাঁধ খুলে দেয়ায় গত তিনদিনে পদ্মার পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফলে লালপুর উপজেলার লালপুর, বিলমাড়ীয়া, নওসারা সুলতানপুর, চরজাজিরা, চর বন্দবস্ত গোবিন্দপুর, চাকলার চর, দিয়াড় বাহাদুরপুরসহ পদ্মার চরাঞ্চলের হাজার হাজার একর জমির আখ, ধইঞ্চা, শীতকালীন সবজি, কচু, হলুদ, পেয়ারা, চালকুমড়া ক্ষেত জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
প্লাবিত হচ্ছে জনপদও। চরাঞ্চল ছাড়াও লালপুর, বিলমাড়ীয়া, দুড়দুড়িয়া ও ঈশ্বরদী ইউনিয়নের দু’একটি ক্যানেল দিয়ে পদ্মার পানি ঢুকতে শুরু।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তরাঞ্চলের পানি পরিমাপ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কেএম জহুরুল ইসলাম বলেন, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি প্রবাহের মাত্রা ১৪.২৫। শনিবার সকাল ৬টায় ছিল ১৪.১২ মিটার এবং দুপুরে ছিল ১৪.১৪ মিটার। পানি বৃদ্ধির হার এরকম থাকলে হয়তো আগামী পরশু পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।
ইত্তেফাক/ইউবি
