মনপুরায় জলদস্যু ধরতে অভিযান, ১টি বোট উদ্ধার

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৬, ০০:৫৩
ভোলার মনপুরার মেঘনায় প্রতিনিয়ত জলদস্যুদের হামলা ভয়ে জেলেদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। মেঘনায় রাতে জেলেরা ইলিশ ধরার সাহস পাচ্ছে না। মেঘনায় যাতে জেলেরা নিরাপদে ইলিশ শিকার করতে পারে তার জন্য জলদস্যুদের ধরতে পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগনের সমন্বয়ে শনিবার সন্ধা ৭ টায় ৩টি বোট নিয়ে চরপাতালিয়ায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জলদস্যুদের ব্যাবহৃত ১টি বোট উদ্ধার করলেও কোন জলদস্যুকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
 
অভিযানে সক্রিয় অংশ নেওয়া দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অলিউল্যাহ কাজল জানান, গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি, দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন চরপাতালিয়া চরে জলদস্যুদের ১টি বোট বেলা ২টার দিকে বালু ভাঙ্গা খালের ভিতর ঢুকেছে। এলাকার লোকজন বিষয়টি আমাকে জানালে আমি তাৎক্ষনিক হাতিয়া জোনের কোস্টগার্ড ও মনপুরা থানা পুলিশকে অবহিত করি। জলদস্যুদের ধরার জন্য আমি ৩-৪শত লোকজন নিয়ে বেলা ৩টা থেকে অপেক্ষা করতে থাকি। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোস্টগার্ড বা পুলিশ কেউ আসেনি। রাত ৮টার দিকে মনপুরা থানার এস আই মোঃ হাদিসের নেতৃত্বে ১২ জনের একটি টিম আসে। তাদের সঙ্গে নিয়ে পচা কোড়ালিয়া ঘাট থেকে ৩টি বোট নিয়ে জলদস্যুদের ধরতে চরপাতালিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করি। রাত ১১টার দিকে  চরপাতালিয়া বালুভাঙ্গা খালের ভেতর জলদস্যুদের ব্যাবহৃত ১টি বোট পাই। বর্তমানে সেটি পুলিশ হেফাজতে আছে।
 
খোজঁ নিয়ে জানা যায়, জলদস্যুদের ব্যাবহৃত বোটটি জাগলার চর সংলগ্ন মেঘনা থেকে ধরে নেওয়া সোহরাব মাঝির।
 
এব্যাপারে মনপুরা থানার দায়িত্বে থাকা এস আই হাদিস বলেন, আমরা স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করি। দীর্ঘ ৩ ঘন্টার অভিযানে আমরা জলদস্যুদের ব্যাবহৃত ১টি বোট উদ্ধার করি। তবে কোন জলদস্যুকে গ্রেফতার করতে পারিনি। দিনের বেলা হলে আমরা জলদস্যুদের ধরতে পারতাম। অভিযান অব্যাহত থাকবে।
 
ইত্তেফাক/এএন