বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন কার্যকর ১ সেপ্টেম্বর

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৬, ২০:১৩
বেসরকারিকরণ কমিশন ও বিনিয়োগ বোর্ড (বিওআই) একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের আইন আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হচ্ছে। সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬’ কার্যকরের এ ঘোষণা দিয়ে গেজেট জারি করেছে সরকার।
 
জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর গত ১ আগস্ট আইনটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। 
 
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গঠনের পর থেকেই প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে পারেনি বেসরকারিকরণ কমিশন। এ প্রেক্ষাপটে সরকার বেসরকারিকরণ কমিশন ও বিনিয়োগ বোর্ড একীভূত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়।
 
জানা গেছে, একটি পরিচালনা বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী বিনিয়োগ বোর্ড পরিচালিত হয়, যে বোর্ডের প্রধান প্রধানমন্ত্রী। বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হচ্ছেন নির্বাহী চেয়ারম্যান। আর প্রাইভেটাইজেশন কমিশনে একজন চেয়ারম্যান ও দু’জন সার্বক্ষণিক সদস্য রয়েছেন। কয়েকজন খণ্ডকালীন সদস্যও রয়েছেন। আইন অনুযায়ী, বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ড থাকবে। এ বোর্ডের প্রধান হবেন প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী থাকবেন ভাইস চেয়ারম্যান। 
 
১৭ সদস্যের এ গভর্নিং বোর্ডে শিল্পমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী ও কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান থাকবেন। কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী হবেন চেয়ারম্যান। নির্বাহী পরিষদে চেয়ারম্যান ছাড়া আরও সর্বোচ্চ ৬ জন নির্বাহী সদস্য থাকবেন। 
 
এদিকে দুটি প্রতিষ্ঠান একীভূত হলেও কেউ চাকরিচ্যুত হবেন না বলে আগেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। বিনিয়োগ বোর্ডে ২৯৩ ও বেসরকারিকরণ কমিশনে ৭০ জন লোকবল রয়েছে। একীভূত করে নতুন প্রতিষ্ঠানের জনবল হবে ৩৬৩ জন। সবাই নতুন প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে বিবেচিত হবেন।
 
বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বেসরকারি খাতে প্রতিষ্ঠিত সকল শিল্প-প্রতিষ্ঠান, বিদেশি বাণিজ্যিক লিয়াজো ব্রাঞ্চ ও রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিস নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধন করবে। বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও বেসরকারি ইপিজেড, বিসিকের বিনিয়োগ, হাইটেক পার্কের বিনিয়োগের বিষয়গুলো কর্তৃপক্ষের আওতার মধ্যে থাকবে না। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিল্প প্রকল্পগুলো এ প্রতিষ্ঠানের আওতায় আসবে না। 
 
 
ইত্তেফাক/এমআই