টানা ছয়দিন দরপতন

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৬, ২০:২৭
টানা ছয়দিন পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে ধীরে ধীরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কিছুটা বেড়েছে। এখন ধীরে ধীরে দরপতন হচ্ছে। 
 
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে উত্থান পতন দুই-ই থাকে। কয়েক মাস ধরে ধীরে ধীরে বাজারে সূচক বেড়েছে। তাই অনেক কোম্পানিতে মুনাফা তুলে নেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। যার সুযোগ নিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। আর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা থেকেই সূচকের কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তাছাড়া সামনে ঈদুল আজহা। আর ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে অনেকে কিছু টাকা তুলে নিচ্ছেন। এতে কিছুটা বিক্রয় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটা সব সময়ই হয়। এজন্যই এখন বাজারে সূচক কিছুটা কমছে। আর এই বাজারে আশার দিক হলো লেনদেন। গত কয়েকদিন ধরেই ডিএসইতে লেনদেন হচ্ছে চারশ থেকে পাঁচশ কোটি টাকা। এ ধরনের প্রবণতা বাজারের জন্য ইতিবাচক।
 
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১০৩ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৪০ পয়েন্টে। এ নিয়ে টানা ছয়দিন ডিএসইর সার্বিক মূল্য কমলো। এদিকে রবিবার ডিএসইতে ৪৬৫ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে; যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩০ কোটি ৬১ লাখ টাকা কম। গত বুধবার ডিএসইতে ৪৯৬ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। রবিবার সিএসইতে ২৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯০৯ পয়েন্টে।
 
রবিবার টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ার।  কোম্পানিটির ২৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল টিউবসের ২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৬ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার  লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক। লেনদেনে এরপর রয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার, একমি ল্যাবরেটরিজ, এপেক্স ট্যানারি, মিথুন নিটিং, আল-হাজ্ব টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস ও বিএসআরএম লিমিটেড। 
 
 
ইত্তেফাক/এমআই