পুঁজিবাজারে মঙ্গলবারও দরপতন হয়েছে। এ নিয়ে টানা আট কর্মদিবস দরপতন হলো পুঁজিবাজারে। তবে শেয়ারবাজারে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৫৩১ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার। যা আগেরদিনের তুলনায় ১২০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বেশি। আগেরদিন ডিএসইতে ৪১০ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। অর্থাৎ লেনদেন বেড়েছে ২৯ শতাংশ।
মঙ্গলবার টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহজিবাজার পাওয়ারের ৩২ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্কয়ার ফার্মা।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে গত প্রায় দেড় মাসে ধীরে ধীরে সূচক বেড়েছে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নিচ্ছেন। এরপরও একটানা এত দরপতন কাম্য নয়। তবে দরপতন হলে কিছু কোম্পানির শেয়ারদর অনেক কমে যাবে। ফলে ওই শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে শুরু করবেন। তাই দরপতনে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
তথ্যে দেখা গেছে, মঙ্গলবার ডিএসইএক্স বা প্রধান মূল্য সূচক ১০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫২৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯৮ পয়েন্টে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে নেমে এসেছে এক হাজার ৭৩৪ পয়েন্টে। গত ১৭ আগস্ট থেকে টানা পতনের মধ্যে রয়েছে ডিএসই। এ সময়ে সূচক কমেছে ৭১ পয়েন্ট। গত ২৯ আগস্ট শূন্য দশমিক ৫১ পয়েন্ট, ২৮ আগস্ট ১৯ পয়েন্ট, ২৪ আগস্ট ৯ পয়েন্ট, ২৩ আগস্ট ১৪ পয়েন্ট, ২২ আগস্ট ১ পয়েন্ট, ২১ আগস্ট ৬ পয়েন্ট ও ১৮ আগস্ট ১০ পয়েন্ট সূচক কমেছিল। অন্যদিকে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসইতে ২৪ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯০২ পয়েন্টে।
ইত্তেফাক/এমআই
