নরসিংদীর ঘোড়াশাল, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি ও রাজবাড়ির গোয়ালপাড়া বিদ্যুত্ হাবের নতুন মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। তিনটি পর্যায়ে নির্মাণশেষে ২০৩০ সালে এ তিন হাবের বর্তমান সক্ষমতা এক হাজার ৫৫৩ মেগাওয়াট থেকে ৬ হাজার ৫২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। এ জন্য বিনিয়োগ করতে হবে ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক বৈঠকে উপস্থাপিত ‘পাওয়ার হাব মহাপরিকল্পনা’র চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
পাওয়ার সেলের সহায়তায় ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনসালটেন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এই মহাপরিকল্পনা তৈরি করে। তিনটি পর্যায়ে (২০১৬-২০২০ পর্যন্ত পর্ব-১, ২০২১-২০২৫ পর্যন্ত পর্ব-২ এবং ২০২৬-২০৩০ পর্যন্ত পর্ব-৩) এ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে। বর্তমানে এই তিনটি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ১৫৫৩ মেগাওয়াট। তিনটি পর্যায়ে নির্মাণশেষে এটি ৬ হাজার ৫২৫ মেগাওয়াটে উন্নীত হবে। এ জন্য বিনিয়োগ খরচ ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণকালে বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ২০৪১ সালে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত্ আমাদের প্রয়োজন। বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহারের সাথে সাথে বিদ্যুত্ সাশ্রয় করে এমন যন্ত্রপাতির ব্যবহারকেও আমরা উত্সাহিত করছি। একই জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলো সুশৃঙ্খলিত ও আধুনিকায়ন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হবে। বিদ্যমান সম্পদ ও অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হলে সুফল আরো বেশী পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, এই তিনটি পাওয়ার হাব নির্মাণের সময় সীমা কমিয়ে দশ বছরের মধ্যেই সম্পূর্ণ করতে হবে। কেন্দ্রগুলো ডুয়েল-ফুয়েল হবে। সরকার আরো ৩ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানীর উদ্যোগ নিয়েছে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, পাওয়ার সেলের মহা পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন।
ইত্তেফাক/এএম।
