টিকেট বুকিং দিয়েও যেসব এজেন্সি বিমানে হজ যাত্রী পাঠায়নি তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে দুটি সংসদীয় কমিটি। বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ধর্ম মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পৃথক বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি ফারুক খান বলেন, কিছু কিছু এজেন্সি আছে যাদের কারণে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। আমরা বিমানকে বলেছি, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে। বিমান এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে বলে আমাদের জানিয়েছে।
চলতি হজ মৌসুমে যাত্রী স্বল্পতার কারণে ১০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিমান বলেছে, বাতিলকৃত ফ্লাইটের কারণে বিমানের হজযাত্রী পরিবহনে ৫ হাজার আসনের ‘ক্যাপাসিটি’ খোয়া গিয়েছে। গত ৪ আগস্ট শুরু হওয়া হজ ফ্লাইট পরিচালন কার্যক্রমের আওতায় এ পর্যন্ত বাতিলকৃত ফ্লাইটের কারণে আর্থিক ও মারাত্মক যাত্রী সংকটের মুখোমুখি হয়েছে বিমান।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিমান শুরুতে প্রতি ডলারের বিনিময় হার যেটা নির্ধারণ করে তাতে সৌদি এয়ারলাইন্সের তুলনায় তাদের টিকেটের দাম ও অন্যান্য কারণে ব্যয় প্রায় আট হাজার টাকা বেড়ে যায়। এর ফলে অনেক যাত্রী বিমানে বুকিং দিলেও পরে সৌদি এয়ারলাইন্সে হজে যায়।
তবে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থানায় ‘চরম অব্যবস্থাপনার’ অভিযোগ তুলেছেন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েসন্স অব বাংলাদেশ-হাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ।
খবর বিডিনিউজের।
