নালিতাবাড়ী উপজেলার খরস্রোতা চেল্লাখালী নদীর উপর প্রায় ৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ব্রিজের পাশে বিকল্প সড়ক ও সেতু না থাকায় প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন জনসাধারণ।
শেরপুর সওজ সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথের আওতায় নালিতাবাড়ী উপজেলার বারমারী-টেংরাখালী সীমান্ত সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের অধীনে নন্নী উত্তরবন্দ এলাকায় পাহাড়ি খরস্রোতা চেল্লাখালী নদীর উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ পায় মেসার্স রিজভী কনস্ট্রাকশন। পুরনো বেইলি ব্রিজটি ভেঙে একই স্থানে প্রায় ৮কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু হয় চলতি বছরের প্রথম দিকে। পুরানো ব্রিজটি ভাঙার পর নতুন ব্রিজের নির্মাণ কাজ এখন প্রায় মাঝামাঝি পর্যায়ে। অথচ এ সড়কে যাতায়াতকারী শত শত ভারী যানবাহন তো দূরের কথা, একজন মানুষের জন্যও নির্মাণ করা হয়নি বিকল্প সেতু। এমনকি এই পথে বিকল্প সাঁকোও নেই চলাচলের জন্য। কর্তৃপক্ষ প্রথমদিকে নামকাওয়াস্তে কাঠ-বাঁশের দুর্বল একটি সাঁকো করলেও পাহাড়ি ঢলে বিধ্বস্ত হয়। এরপর আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে এই সড়কে যাতায়াতকারী সীমান্ত সড়কের অসংখ্য পথযাত্রী, নাকুগাঁও স্থলবন্দরের পণ্য বোঝাই ট্রাক, বালুবাহী শত শত ট্রাক, শত শত ছোট-বড় নানা ধরনের যানবাহন পড়েছে চরম বিপাকে। বাধ্য হয়ে যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন নৌকাযোগে। সংযোগ সড়ক না থাকায় নৌকাযোগে নদী পাড়ি দিতে গিয়েও অনেকেই মোটরসাইকেল নিয়ে দুর্ঘটনারও শিকার হচ্ছেন।
শেরপুর সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী বায়েজিদ বাঙালি জানান, বিকল্প সেতু নির্মাণের কোনো ডিজাইন বা বরাদ্দ রাখা হয়নি। ফলে আমরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চাপ প্রয়োগ করতে পারছি না।
ইত্তেফাক/এএন
